ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
1639
কুমিল্লার আশ্চর্য বা ব্যতিক্রম স্থান, স্থাপনা, নাম, ঘটনা ও ইতিহাস
Published : Sunday, 5 February, 2017 at 2:08 AM, Update: 08.09.2019 3:15:04 PM
কুমিল্লার আশ্চর্য বা ব্যতিক্রম স্থান, স্থাপনা, নাম, ঘটনা ও ইতিহাসআহাম্মেদ কবীর ||
পর্ব (১)
ইতিহাস, ঐতিহ্য, সভ্যতা-সংস্কৃতি, ধর্ম-জ্ঞান, বিপ্লব-বিদ্রোহ, ভাষা-আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, বিকাশ-বিজ্ঞান, শিক্ষা ও সাহিত্যের পীঠস্থান হলো আমাদের কুমিল্লা অঞ্চল। এক সময়ে নাম ছিল সমতল ত্রিপুরা, চাকলা রোশনাবাদ, নগর কমলাঙ্ক, কমলাক নগর, কাম ইয়াল লাঙ, নগর দেব পর্বত অথবা মেহেরকুল পরগনা ইত্যাদি। কিন্তু ষাটের দশকে স্থায়ীভাবে নাম হলো- কুমিল্লা। ইংরেজিতে লেখা হলো ঈড়সরষষধ তবে লেখা উচিত ছিলÑ কঁসরষষধ(!).
এই কুমিল্লারই কিছু ভিন্ন ধারার বিষয়াদি নিয়ে ধারাবাহিক আলোচনা। যার মাধ্যমে পাঠক মজার কিছু ঘটনা কিংবা চিত্তাকর্ষক বিষয় বা অনুষঙ্গ সম্পর্কে অবহিত হতে পারবেন। লেখালেখি করতে গিয়ে আমি এসব বিষয় বিষয়াদি জেনেছি, বুঝেছি বা অবহিত হয়েছি।
প্রথমে আসা যাক কুমিল্লার নাম প্রসঙ্গ।
ছয়শত বছর পূর্বে চট্টগ্রাম হতে কিংবা তৎকালীন বাংলার রাজধানী সোনার গাঁও হতে সিলেট যাওয়ার পথে একজন কামেল দরবেশ [সম্ভবত হযরত শাহজালাল (র)] ও তাঁর দলবল কুমিল্লায় অবস্থান করেছিলেন। সেটা ছিল গ্রীষ্মকাল। পিপাসার্ত দরবেশ বাবা এখানকার পানি পান করে পরিতৃপ্ত হয়ে বলেছিলেন-‘ক্যায়া মিল্লাহ’। পরে এই শব্দটি কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে ‘কুমিল্লা’ হয়ে যায় বলে অনেকের বিশ্বাস। ত্রিপুরা পাহাড় ও লালমাই পাহাড়ের মধ্যবর্তী অঞ্চল (বর্তমান কুমিল্লা শহর) ছিল জলাভূমিতে (গধৎংযু খধহফ) ভরপুর। আর সেই জলাভূমিতে প্রচুর কমল ফুল (পদ্ম ফুল) ফুটতো বলে এ অঞ্চলের নাম ছিল নগর কমলাঙ্ক। ময়নামতির গানে সেই শব্দটা কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে ‘কমলাক নগর’ হয়েছে। অর্থাৎ কমলের অঙ্ক থেকে কমলাঙ্ক।
আরেকটি লোক কাহিনী- রাজকুমারী কমলাকে নিয়ে। দেব রাজ বংশের রাজকুমারী কমলার প্রেম, হত্যাযজ্ঞ ও বিরহের সূত্র ধরে এই নগরের নাম হয়ে যায়- কমলা, কামল্লা, কাম-ইল্লা, কুমিল্লা। এছাড়াও দেব রাজবংশের রাজত্বকালে (সপ্তম শতাব্দীতে) সমতট রাজ্যের রাজধানী ছিল নগর দেব পর্বত। এই নগর দেবপর্বতই বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে হয়ে যায়- কুমিল্লা বা কুমিল্লা শহর। এমনকি ষাটের দশক এর শুরুর দিকে এই জেলার শহরাংশকে বলা হতো কুমিল্লা আর জেলার নাম ছিল-ত্রিপুরা। পরে সরকারের এক আদেশবলে জেলার নামও হয়ে গেলো- কুমিল্লা।
সপ্তম শতকে চীনা পরিব্রাজক এই অঞ্চলের নাম- ‘কাম ইয়াল লাঙ’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। বাংলার শাসক মুর্শিদ কুলি খান ‘চাকলা রোশনাবাদ’ হিসেবে কুমিল্লা জেলাকে নামাঙ্কিত করেছেন। এছাড়াও মেহেরকুল পরগনা হিসেবেও কুমিল্লার নাম পরিচিত। এভাবেই বলা যায়, কুমিল্লাকে কেন্দ্র করে আরো বহু নাম, ঘটনা ও কিংবদন্তী ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে যা নিয়ে আরো ব্যাপক গবেষণা এবং অনুসন্ধানের প্রয়োজন রয়েছে।
‘শ্রীভবদেব মহাবিহার’- কুমিল্লা অঞ্চলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৌদ্ধ বিহার। কপার প্লেট অনুসারে এই বিহারের প্রকৃত নাম- শ্রীভবদেব মহাবিহার আর্য ভিক্ষু সংঘর্ষ। রাজা ভবদেব সপ্তম শতকে এই বিহার নির্মাণ করেন। ১৯৫৪-৫৬ সালে খননকার্য সম্পাদনের পর এর পাদদেশেই ‘ময়নামতি জাদুঘর’ নির্মাণ করা হয়। দেশ-বিদেশ থেকে অসংখ্য মানুষ এই বিহার দেখতে আসেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো এই বিহারটি নিজের নামে পরিচিত নয়। সবাই এই বিহারকে ‘শালবন বিহার’ নামে চেনে। কিন্তু কেন ? ...
‘টিক্কার চরে’ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অসাধারণ নিদর্শন রয়েছে। এখানে পাশাপাশি অবস্থিত একটি কবরস্থান ও একটি শ্মশান রয়েছে। স্থানীয় মানুষজনেরা শবদাহ এবং কবর দেয়ার কাজে সাহায্য করে আসছে। অনেক মুসলমানকেও দেখা যায় শ্মশানের শবদাহের কাজে সাহায্য সহযোগিতা করছে। দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে কখনো কলহ হয়েছে - এমনটি শোনা যায় নি। ঢোকার মুখে গেটের পাশে আশ্চর্য একটি পুকুর ছিল (সম্প্রতি যা ভরাট করে ফেলা হয়েছে!)। বর্ষাকালেও সে পুকুরে কোন পানি জমতো না। ব্যাপারটা আশ্চর্যই বটে।
‘ডেলনি হাউজের’- বিষয় বা প্রসঙ্গ হলো কিছুটা রহস্যময় কিছুটা ধোয়াশে হয়তোবা কুমিল্লার অনেকের কাছে অজানাও বটে। শীতের পাখির অভয়ারণ্য হিসেবে জজ কোর্ট রোডের এই বাড়িটি বেশ পরিচিত। ১৮৬২ সালে ওল্ড ডেলনি নামের এক ফরাসি দেশ থেকে আসা জাহাজ ব্যবসায়ী এই বাড়িটি নির্মাণ করেন । পরবর্তী প্রজন্মের লোকেরা এই বাড়ির বর্তমান কাঠামোটি পুন নির্মাণ করেন। এই বাড়িতে প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ হওয়াতে সবাই বেশ কৌতূহলী এ বাড়ি সম্পর্কে জানতে। কিন্তু সেটা জানা সম্ভব নয় বলেই এই বাড়ি সম্পর্কে মানুষের আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে। অনেকের দাবী সপ্তাহে অন্তত একদিনের জন্য হলেও বাড়ির গেট খুলে দেয়া যেতে পারে-দর্শনার্থীদের জন্য।
‘বাইজির তৈরি মসজিদ’ নিয়ে কুমিল্লার মানুষের একটা বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। আজ থেকে প্রায় ২৫০ বছর আগে ত্রিপুরার মহারাজার একজন বাইজি (নাম ছিল নূরজাহান বেগম বা নূরজাহান বাই!) এই মসজিদটি নির্মান করেন। মাঝিগাছা গ্রামে গোমতী নদীর উত্তর পাড়ে আজো এই মসজিদের ধ্বংসাবশেষ রয়েছে। বাইজির পরিচয় প্রকাশ হবার পর এই মসজিদে কেউ আর নামাজ পড়ে নি। ‘নূরজাহান বাইয়ের মসজিদ’ উপন্যাসের শেষ দিকে লেখক বর্ণনা করেছেন যে, মসজিদের পাশে তৈরী নূরজাহান বাইয়ের বাড়িসুদ্দ তাকে জ্বালিয়ে দেয়া হয়! তাইতো গভীর রাতে অনেক অলৌকিক ঘটনা নাকি ঘটে চলেছে। সেজন্যই মসজিদ বিষয়ক ঘটনার একটা মীমাংসা হোক-এটাই সবার দাবি।
‘নবাব বাড়িকে’ বলা হয় সবচেয়ে বেশী দরজা-জানালা ওয়ালা বাড়ি। চর্থার নবাব বাড়ি চৌমুহনীর পশ্চিমে জমিদার বশরত আলী ১৮৭৮ সালে বাড়িটি নির্মাণ করেন। পরে তার ছেলে নবাব হোচ্ছাম হায়দার এই বাড়িটির বর্তমান কাঠামোটি নির্মাণ করে-এর মর্যাদা অনেকগুণ বৃদ্ধি করে তুলেন। এ বাড়িতে বৃটিশ ভারতের ছোট লাট, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯২৬ সালে) সহ বহু বিখ্যাত ব্যক্তির আগমন ঘটে। বাড়িটি একটি রহস্যময় বাড়ি। এ বাড়িতে কখনো চুরি হয় নি। অথবা চোর এলে অলৌকিক কারো দ্বারা আক্রান্ত হয়, হয়েছে বলে বর্তমান প্রজন্মের অধিবাসীদের বিশ্বাস। বাড়িটিতে প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত বলে অনেকের আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও বাড়ির ভেতরে ঢোকা সম্ভব হয়ে উঠে না।
‘টমছম ব্রিজ’ থেকে যে রাস্তাটি মেডিক্যাল কলেজের দিকে চলে গেছে সে রাস্তাটিই নির্মাণ করা হয়েছে কর্কটক্রান্তি রেখার উপর। কর্কট রাশির আগ্রাসনমুক্ত কর্কটক্রান্তিয় রেখার পাশে নির্মিত বিমানবন্দর (১৯৪২-৪৪ সালে) বহির্শত্রুর আক্রমণমুক্ত বলেই অনেকের বিশ্বাস। এমনকি দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময়ে (১৯৩৯-৪৫) বৃটিশ আর্মির নিরাপদ ঘাটি ছিল এ অঞ্চল। ‘বার্ডের নীচে তিনটি বিহার’ খবরটা শুনেই অনেকে চমকে যাবেন। বার্ড বা পল্লী উন্নয়ন একাডেমী তৈরীর সময় কর্তৃপক্ষ হাজার বছরের পুরনো তিনটি বৌদ্ধ বিহারকে মাটিচাপা বা ধ্বংস করে-বার্ড কমপ্লেক্স নির্মাণ করেন। ১৯৫৪-৫৬ সালে
প্রতœতত্ত্ব বিভাগের খনন কার্য শেষে যে রিপোর্ট প্রকাশ পায়- তাতে এ তিনটি বিহারের কথা উল্লেখ আছে। সেজন্যই অনেকের মনে প্রশ্ন নতুন সভ্যতা নির্মাণে কি প্রাচীন বা পুরনো সভ্যতাকে মাটি চাপা দিতে হবে? ঠিক একইভাবে সেনানিবাসের ভেতরেও বেশকিছু বৌদ্ধ বিহারকে মাটিচাপা অথবা ধ্বংস করে ফেলা এসব ব্যাপারে মীমাংসায় আশা উচিত।
‘ভাষা সৈনিক শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের’ ধর্ম সাগরের পশ্চিম পাড়ের বাসাটি সংরক্ষণের ব্যাপারে অনেকেই অভিমত ব্যক্ত করেছেন। ১৯৭১ সালের ২৮শে মার্চ রাতে এই বাড়ি থেকে তাঁকে পাকিস্তানী সৈন্যরা ধরে নিয়ে এপ্রিল মাসের কোন এক সময়ে হত্যা করে। এই ভাষা সৈনিক পাকিস্তান গণপরিষদে (একজন এম.পি হিসেবে) বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার স্বপক্ষে প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরবর্তী কালেও এ দেশের গণআন্দোলন, স্বাধিকার ও স্বাধীনতা আন্দোলনেও তাঁর অসাধারণ ভূমিকা ছিল। তাই সরকারের উচিত যে মামলা থেকে উদ্ধার করে বাড়িটিকে ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের নামে একটা জাদুঘর তৈরী করা। কিন্তু সরকার কি তা করবেন?
‘অধ্যাপক খোরশেদ আলম কি’ কুমিল্লার ইতিহাস, ঐতিহ্য, স্মৃতি থেকে হারিয়ে যাবেন? স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর বিশাল অবদানের কথা স্মরণ করে তাঁর নামে কোন রাস্তা, স্থাপনা বা কোন প্রতিষ্ঠানের নামতো রাখা হয় নি?
সত্তরের নির্বাচনে কুমিল্লা-৬ আসন থেকে নির্বাচন করে তিনি বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। ভিক্টোরিয়া কলেজের পদার্থ বিজ্ঞানের অধ্যাপক জাতির স্বার্থে চাকরি ছেড়ে দিয়ে ঝুকিপূর্ণ রাজনীতিতে প্রবেশ করলেন। তারপরের কথা আমাদের জানা আছে। তাইতো আমাদের উচিত তাঁর মতো ব্যক্তিদেরকে সম্মান প্রদর্শন করে আমরা কিছুটা ঋণমুক্ত হই।
‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ এবং মুক্তিযুদ্ধের সংগঠকদেরকে সঠিকভাবে সম্মান প্রদর্শনের সময় এসেছে। তাঁদের অবদানের কথা নতুন প্রজন্মকে অবহিত করার লক্ষ্যে নানা পদক্ষেপ নেয়া উচিত। শহরের বিভিন্ন রাস্তা, স্থাপনা, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা সহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকা, বাণী ও অবদানের কথা উল্লেখ করে গঠনমূলক পদক্ষেপ গ্রহনের এখনই উপযুক্ত সময়। ‘আদিবাসীদের’ প্রসঙ্গ এলে কুকিদের কথা এসে যায়। সমশের গাজীর বিদ্রোহের (১৭৫৮-১৭৬৮) সময় পর্যন্ত ও কুকিরা  এই চাকলা রোশনাবাদে বেশ দাপটের সাথে বসবাস করতো। কিন্তু সমশের গাজীর পরাজয়ের পর (১৭৬৮) ত্রিপুরার রাজা কৃষ্ণ মাণিক্যের সৈন্যরা তাদের উপর এমন অত্যাচার শুরু করে যে, তারা এই কুমিল্লা অঞ্চল থেকে পালিয়ে যায়। তবে বর্তমানেও কিছু সংখ্যক কুকি এবং টিপরা আদিবাসীর মানুষজনেরা লালমাই পাহাড়ি এলাকায় বসবাস করছে।
‘জগন্নাথ দিঘি’ নিয়ে অনেক কিংবদন্তী রয়েছে। কুমিল্লা শহরের পূর্ব দিকে চট্টগ্রাম রোডের পাশে এই বিশাল দিঘিটি অবস্থিত। ধর্ম সাগরের চেয়েও বড় এই দিঘিতে নাকি পূর্নিমা রাতে পরীরা ¯œান করতে আসতো। আর অমাবস্যা রাতে তো ভৌতিক বা অলৌকিক ঘটনা আজো ঘটে চলেছে। তার কিছু কিছু হয়তো মানুষের সৃষ্ট কিন্তু বাকি ঘটনাগুলো-কাদের সৃষ্ট(?) বলা মুশকিল। তবে সঠিক পরিচর্যা করা হলে এই দিঘিকে কেন্দ্র করে চমৎকার একটা পিকনিক বা ট্যুরিস্ট স্পট হতে পারে। 
‘ব্রাহ্মমন্দির’- বর্তমান প্রজন্মের বাঙালি হিন্দুদের কাছে একটি বিস্ময়কর ব্যাপারই বটে। ব্রহ্মা বা একজন ঈশ্বরকে কেন্দ্র করে মন্দির বা ধর্ম চর্চা সত্যিই এক ব্যতিক্রম ব্যাপারই বটে। তেত্রিশ কোটি দেব-দেবী বা ঈশ্বর ভগবানকে নিয়েই বাঙালি হিন্দুদের ধর্মচর্চা পরিচালিত হয়ে থাকে। সেখানে ফয়জুন্নেছা স্কুলের সামনে শত বর্ষ আগে প্রতিষ্ঠিত ব্রাহ্মমন্দিরটি প্রায় সবারই আগ্রহ সৃষ্টি করতে পারে। শোনা যায়, রবীন্দ্রনাথও নাকি ব্রাহ্ম ধর্মের অনুসারী ছিলেন। অথচ বাঙালি হিন্দুদের ধর্মীয় কার্যক্রম কালী মন্দিরকে কেন্দ্র করে। তাই নিরাকার ঈশ্বরের পূজা বা প্রার্থনার স্থান হিসেবে কুমিল্লায় প্রতিষ্ঠিত ব্রাহ্ম মন্দিরটি পুরনো চিন্তাকে নতুনভাবে উপস্থাপিত করতে হয়তো ভূমিকা রাখবে।







© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৮
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ই মেইল: [email protected], [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন
কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};