ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন অ্যাপস কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
532
রোহিঙ্গা ট্র্যাজেডি কাহিনি পূর্বাপর
Published : Thursday, 14 September, 2017 at 1:00 AM
রোহিঙ্গা ট্র্যাজেডি কাহিনি পূর্বাপরড. আলী হোসেন চৌধুরী ||
মিয়ানমারের আরাকান বা রাখাইন রাজ্য সম্প্রতি তুমুল আলোচনার কেন্দ্র বিন্দু। মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর বর্বর আক্রমণ সমগ্র বিশ্বে ঝড় উঠেছে, কেপেঁ উঠেছে বিশ্ব মানবতা। বিশ্বের মানুষ নিন্দা ও ঘৃণায় তীর্যক দৃষ্টিতে দেখছে মিয়ানমারকে। বৌদ্ধ ধর্মের শান্তির বাণী আজ ধূলিসাৎ। মিয়ানমার মূলত: বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী অধ্যুষিত একটি রাষ্ট্র। তার মধ্যে রাখাইন রাজ্যটি মুসলমান অধ্যুষিত। এ রাজ্যে বৌদ্ধও আছে কিছু সংখ্যক হিন্দু জনগোষ্ঠিও বসবাস করে। এ রাজ্যের মুসলমানদের বর্তমান মিয়ানমার শাসক বাঙালি বলে অভিহিত করছে। তারা মনে করছে এরা সবাই বাঙালি মুসলমান যারা বাংলাদেশ থেকে ওখানে গিয়ে বসতি স্থাপন করেছে। এ একটি অজুহাত দিয়ে সেসব মুসলমানদের উপর অত্যাচার, নির্যাতন শুরু করে অনেক আগে থেকেই। এক পর্যায়ে তারা নাগরিক হিসাবে স্বীকৃতি পায়। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। বিভিন্ন নির্বাচনে অনেকে বিজয়ীও হয়। এসব কারণে রাষ্ট্রের নাগরিক অধিকারের দৃষ্টিকোণ থেকে মনে হতে লাগলো তাদের নরবড়ে গোড়া পত্তন মজবুত হলো, কিন্তু এ মনে হওয়াটা ভুল প্রমাণিত হয় যখন তাদের নাগরিক অধিকার হরণ করা হয়। নাগরিকত্ব বাতিল করে তাদের উপর হামলা নির্যাতন, হত্যা আবারো শুরু হয় মাঝে মাঝেই। বিশেষ করে সেনা সরকার আমলে এ নির্যাতনের মাত্রা বহুগুণে বেড়ে যায়। ফলে প্রায় সময় দেখা যায় রোহিঙ্গাদের উপর অত্যাচার, খুন, বাড়িঘর লুণ্ঠন, বাড়ি ঘরে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়ার ফলে রোহিঙ্গাদের দেশ ত্যাগে বাধ্য করে। তারা বার বার নির্যাতিত অত্যাচারিত প্রাণভয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। ৭০-এর দশক থেকেই এ অবস্থাটা বেশি লক্ষণীয় হয়ে ওঠে। অত্যাচারের মাত্রা ও বৃদ্ধি পয়। সম্প্রতি যে আক্রমণ হয়েছে তা অতীতের সকল নিষ্ঠুরতাকে ছাড়িয়ে গেছে। আক্রমণের তীব্রতা অত্যন্ত ভয়াবহ। বর্তমান আক্রমণ ও নির্যাতন এতো ব্যাপক ও লোমহর্ষক যে এর কোনো কোনো চিত্র আমাদের দেশের ৭১এর বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে। এবার দেখা গেছে কোনো কোনো রোহিঙ্গাকে মিয়ানমার সেনারা হাত পা বেঁধে কুড়াল দিয়ে পা কেটেছে। হাত কেটেছে সব শেষে গলা কেট জবাই করে সদম্ভে প্রচার করেছে। এ দৃশ্য ধারণ করে তারা ফেইসবুক ও অন্যান্য মিডিয়াতেও দিয়েছে। এ দৃশ্য মারাত্মক নির্মমতার বীভৎস উদাহরণ। যে কোনো সুস্থ লোক এ  দৃশ্য দেখে অসুস্থ হয়ে যাতে পারে। কোনো হৃদরোগীর জন্যও এ দৃশ্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপদজনক। হৃদয়বিদারক আরো অনেক চিত্র রয়েছে। এবারের হত্যাকা- গণহত্যায় রূপ নিয়েছে। এ পর্যন্ত অফিসিয়াল হিসেবে ১ হাজারের অধিক হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু এ সংখ্যা দ্বিগুণ তিনগুণ হতে পারে। কারণ রাখাইন অঞ্চলে মিয়ানমার সরকার কোনো মিডিয়াকে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। প্রবেশ করতে পারছেনা বিদেশি সংস্থার প্রতিনিধি এনজিও প্রতিনিধি। অর্থাৎ বাইরের জগত জানতে পারছে না ওখানে কি হচ্ছে। ফলে নিহতের সংখ্যার প্রকৃত তথ্য জানা যায়না। জানা যায়না কতবাড়ি লুট হয়েছে, কত বাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। শোনা যায় হাজার হাজার বাড়ি জ্বলিয়ে দেয়া হয়েছে। কতলোক আহত হয়েছে তারও পরিসংখ্যান নেই। অনেকে গুলিবিদ্ধ হয়ে কিংবা অন্যভাবে আহত হয়ে বাংলাদেশ এলাকায় মৃত্যু বরণ করেছে। জীবন বাঁচাতে যারা ছুটে আসছিলো জলপথে নৌকা ডুবিতেও মারা গেছে নেই তারও প্রকৃত পরিসংখ্যান। বিনা চিকিৎসাতেও মারা গেছে কেউ কেউ। ফলে নিহতের সংখ্যায়ে অনেক বেশি তা সহজেই অনুমেয়। কোনে ভাবেই প্রকৃত চিত্রটা পাওয়া যাচ্ছে না। বাংলাদেশ এলাকায় শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে অফিসিয়াল সূত্রে প্রকাশ তিন লাখ কিন্তু কক্সবাজার স্থানীয়দের ভাষ্যমতে তা ৫ লাখ ছাড়িয়ে। বিশ্বমানবতার কী বিপর্যয়। বিশ্ব কি ক্রমেই বর্বরদের দখলে চলে যাবে? একুশ শতকের এ সভ্যতায় মানবিক বোধ ও মানবতা যেখানে প্রধান সেখানে এ মধ্যযুগীয় বর্বরতা কেন? আজ প্রশ্ন উঠেছে।
মিয়ানমার শাসকরা যে কারণটিকে পুঁজি করে এ বর্বরতা চালাচ্ছে তা হলো রোহিঙ্গারা বাঙালি বাংলাদেশ থেকে তারা ওখানে গিয়ে বসবাস করছে। কিন্তু ইতিহাস বলে এ কথাটা যুক্তিহীন এবং ভিত্তিহীন। ইতিহাস বলে বাংলাদেশ মুসলিম অধিকারে আসার অনেকপূর্বে আরাকানে মুসলমানদের আগমন ঘটে। বাঙালিরা আরাকানকে তখন বলতো মগের মুল্লুক। যদিও বাংলা সাহিত্যে আরাকানকে ‘রোসাঙ্গ’ নামে উল্লেখ করা হয়েছে। আরাকানবাসীরা তাদের দেশকে ‘রখইঙ্গ’ নামে অভিহিত করতো। কথাটি সংস্কৃত শব্দ ‘রক্ষ’ থেকে উৎপত্তি। ‘রখইঙ্গ’ শব্দের অর্থ দৈত্য। সে কারণেএ দেশটিকে ‘রখইঙ্গতঙ্গী’ বা দৈত্যভূমি বলা হতো। রখইং শব্দের ইংরেজি অপঙংশ আরাকান বলে উল্লেখ পাওয়া যায়। তবে রখইং শব্দটি কালক্রমে রাখাইন শব্দে রূপান্তরিত হয়।
অষ্টম শতকে আরাকান বা রাখাইন ছিলো একটি স্বাধীন রাষ্ট্র সে সময়ের শাসক বৌদ্ধ হলেও আরবের সাথে ছিলো তাদের সুসম্পর্ক। জলপথে আরব্য ব্যবসায়ীরা আরাকানে আসা যাওয়া করতো। এ সময় অনেক আরব্য ব্যবসায়ী ও ইসলাম ধর্ম প্রচারক আরাকানে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে এবং ইসলাম প্রচার শুরু করে। এ সময় অর্থাৎ অষ্টম-নবম শতাব্দীতে আরাকানরাজ ছিলেন মহতৈং চন্দ (৭৮৮-৮১০)। একময় আরাকন রাজত্ব চট্টগ্রামের কিছু অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃতি হয়। উল্লিখিত সময়ে চট্টগ্রামেও ইসলামের ব্যাপক প্রচার হয়। আরাকন ও চট্টগ্রামে জনগণের মধ্যে একটা সুদৃঢ় ধর্মীয় বন্ধন তৈরি হয়। এ সময় অনেক বাঙালি মুসলমান ও আরাকানে বসতি স্থাপন করে। রোসাং রাজারা বৌদ্ধ ধর্মের হলেও ইসলাম ধর্মের প্রতি ছিলো তাদের দুর্বলতা বিশেষ করে সাংস্কৃতিক কর্মধারা, শাসন কার্য, অন্যান্য দিক থেকে আরাকান শাসকরা দেশ ধর্মের ঊর্দ্ধে উঠে সর্বজনীন সংস্কৃতিক অধিকারী হয়েছিলেন। শাসকরা তাদের বৌদ্ধ নামের সঙ্গে একটি মুসলমানি নাম ব্যবহার করতেন যেমন কলিমা শাহ, সুলতান, সিকান্দার শাহ, সলীম শাহ, হুসেন শাহ। ১৪৩০-১৪৩৪ পর্যন্ত আরাকান গৌড়ের সুলতান জালাল উদ্দিন মহম্মদ শাহ’র অধিকারে আসে এবং করদ রাজ্য রূপে বিদ্যমান ছিলো। তারপর ও আরাকানে মুসলিম রীতি নীতি ও আচার অনুষ্ঠান পালন করতেন। ১৪৩৪ থেকে ১৬৪৫ পর্যন্ত আরাকানে ২শত বছর ব্যাপক মুসলিম প্রভাব স্বীকার করে নিয়েছিলেন আরাকান রাজরা। আরাকানের চাইতে মুসলিম রীতি-নীতি, আচার-সভ্যতা উন্নত মনে হওয়ায় এর ব্যাপক প্রভাব পড়ে। সে সময় বাঙালি মুসলমানেরা সেনা বিভাগ, শাসন বিভাগ বিচার বিভাগ ও অন্যান্য উচ্চতর দায়িত্বে নিয়োগ লাভ করে অর্থাৎ উচ্চতর অনেক পদেই মুসলমানরা নিয়োগ লাভ করে দায়িত্ব পালন করেন। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী, অমাত্য, সমর সচিব, লস্কর উজ্জিব, সেনা অধ্যক্ষ উল্লেখযোগ্য। আরাকান রাজদের অভিষেক মুসলিম মন্ত্রীদের দ্বারাই পরিচালিত হতো। বিপুলসংখ্যক মুসলিম জ্ঞানী-গুণীরা মর্যাদাপূর্ণ উচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত ছিলেন। আরাকানী মুদ্রার একপিঠে ফারসি অক্ষরে কলেমা ও মুসলমানি নাম লেখার রীতি ও প্রচিলিত ছিলো। আরাকানে আরবিয় বণিকদের প্রভাবে ইসলাম প্রচার হলেও বঙ্গীয় মুসলমানদের দ্বারাই বেশি প্রভাবিত হয়েছিলো। চট্টগ্রাম ও আরাকানের নৈকট্য ও একটি প্রধান কারণ। মুসলমানদের এ প্রভাব ও আধিপত্য ব্যাপক রূপ লাভ করে সপ্তদশ শতকে। এ সময়ে বাঙালি মুসলমান রাজকর্মকর্তাদের প্রভাবে রোসাঙ্গ রাজ সভায় বাঙালি কবি সাহিত্যিকদের আবির্ভাব ঘটে। এখানে বাংলা সাহিত্যের একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায় তৈরি হয়। আরাকান রাজাদের পৃষ্ঠপোষতায়। কবি সাহিত্যিকদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন দৌলত কাজী, আলাওল, কোরেশী মাগনঠাকুর (প্রধানমন্ত্রী), মরদন, আব্দুল করিম খন্দকার। তারা রাজদরবার থেকে ভাতা পেতেন ও সাহিত্যচর্চা করতেন। এ সাহিত্য বাংলা ভাষায় সৃষ্টি বৌদ্ধ রাজরা বাংলা না জানলেও তার পৃষ্ঠপোষক ছিলেন নির্দ্বিধায়। বিভিন্ন সময়ে আরকান শাসকদের বহু উচ্চপদে বাঙালি মুসলমান নিয়োজিত ছিলেন। দেখা যায় অষ্টম শতক থেকে আরাকানে মুসলমানদের বসবাস শুরু। প্রথমে আরবিয় মুসলমান এবং বণিকরা বসবাসও ইসলাম প্রচার শুরু করলেও কয়েকশ বছরের মধ্যে বাঙালি মুসলমানরা সেখানে ক্রমান্বয়ে বসতি স্থাপন করে। ফলে বুঝা যায় হঠাৎ করে আরাকানে বাঙালি মুসলমানরা বসবাস শুরু করেনি। ধরা যায় অষ্টম শতক থেকেই মুসলিমদের বসবাস সে সময় স্থানীয়রাও ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে দিন দিন মুসলিমদের সংখ্যা বেড়েছে। রোসাঙ্গ শব্দ থেকে রোসিঙ্গা, রোহিঙ্গা শব্দটিা এভাবেই  এসেছে। আরকানের জনসাধারণকে রোহিঙ্গা বলেই পরিচিত হয়। আরাকান এক সময় বার্মার অন্তর্গত হয়। রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর বিদ্বেষ দেখা দেয় কারো কারো মধ্যে, ফলে অত্যাচার এবং হত্যাকা-ের ঘটনা ঘটে সময় সময়। ১৭৮২ সালে হত্যাকা-ে ঘটনা ঘটে তেমনি ১৬২৫ সালে শাহসুজার অনুসারীদের হত্যা করা হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রোহিঙ্গাদের ভারতীয় বলে চিহ্নিত করা হয়। অত্যাচার হয়। ১৯৪৭ সালে রোহিঙ্গাদের বার্মার নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। ১৯৫৯ সালে তাদের আদিবাসী জাতিগোষ্ঠি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। ১৯৬২ সালে নে উইন এর সামরিক সরকার ক্ষমতায় এলে রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর অত্যাচারের খড়গ নেমে আসে। সময় সময় অত্যাচার চলতে থাকে। তবে ১৯৭৭-৭৮ সালে ব্যাপক হামলা হয়। রোহিঙ্গাদের দেশে ছাড়া হতে হয় সে সময় ২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা মুসলমান। তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এভাবে ১৯৯১, ২০০১, ২০১২ সালেও হামলা হয় কিছু কিছু রোহিঙ্গা এ সময় গুলোতে দেশ ত্যাগ করে। ৯১ সালে ২৫০ জন, ২০০১ সালে ২০০ জন ২০১২ সালে ১১৬ জন কে হত্যাকরা হয়। ২০১৪ সালে রোহিঙ্গা দের ভোটাধিকার হরণ করা হয়। ২০১৫ সালে কোরবানি নিষিদ্ধকরা হয়। ২০১৬ সালে হামলা হয় ৮৭ হাজার রোহিঙ্গা দেশত্যাগ করে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। জাতিসংঘ ২৪ আগস্ট রিপোর্ট প্রকাশ করে রোহিঙ্গারা জাতিগত ভাবে মিয়ানমারের নাগরিক। এর পর থেকেই শুরু হয় নতুন করে সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা। লাখ লাখ রোহিঙ্গা মুসলমান নিজ ভূমি ছেড়ে পালিয়ে আস এ কথা আগেই বলা হয়েছে। এখন একটা সত্যই বেরিয়ে আসে রোহিঙ্গা মুসলমানরা মিয়ানমারে তথা  রাখাইন রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দা। তারাও আদি জাতিগোষ্ঠি। মিয়ানমার সরকারের বর্বরতার বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপি নিন্দা ও ঘৃনার ঝড় বইছে। এখন দরকার যথাযথ সমাধান মিয়ানমারের উপর জাতিসংঘসহ বহির্বিশ্বের চাপ বৃদ্ধি করা। এর প্রতিকারের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা। রোহিঙ্গাদের মাতৃভূমিতে ফিরে যাওয়া এবং নির্ভয়ে বসাবাস করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। না হয় রোহিঙ্গাদের নতুন ইতিহাস গড়ে ওঠবে। সে ইতিহাস হবে রক্তের বদল রক্ত। যা কারো জন্য ভালো নয়। মিয়ানমার সময় থাকতে এ কথা বুঝবে আশা করি। মানবতার এ বিপর্যয় ঠেকাতে হবে বিশ্বের সকল মানুষের। জাতিসংঘতো বটেই বিশ্বময় গড়ে উঠেছে বিদ্বেষের তীব্রতা। শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পথে মানবিক মূল্যবোধের উত্তরণে মিয়ানমার নিজেদের মানুষ রূপে প্রমাণ করবে আশা করি।
মতামতের জন্য
০১৭৩৫-১৬৫৫৪৪



© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৬
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
কার্যালয়: কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশন, তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়,কুমিল্লা-৩৫০০, বাংলাদেশ
ফোন: +৮৮০ ৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২৪৪৩, +৮৮০ ১৭১৮০৮৯৩০২
ই মেইল: [email protected], [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশান।
তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};