ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
301
আত্মজীবনীতে ফিক্সিং নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য আফ্রিদির
Published : Saturday, 4 May, 2019 at 7:09 PM
আত্মজীবনীতে ফিক্সিং নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য আফ্রিদির ‘গেম চেঞ্জার’, পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদির আত্মজীবনী বইয়ের নাম। বুমবুম খ্যাত আফ্রিদি এই বইটি দিয়ে রীতিমতো বোমা ফাটিয়েছেন। অনেক অজানা তথ্যই জায়গা পেয়েছে এই বইয়ের পাতায়।

আত্মজীবনী বইতে নিজের আসল বয়স জানানোর সঙ্গে ওয়াকার ইউনুস ও গৌতম গম্ভীরের কড়া সমালোচনাও করেছেন পাকিস্তানের সাবেক এ অধিনায়ক। এবার জানা গেল, ২০১০ লর্ডস টেস্টে কলঙ্কজনক সেই স্পট ফিক্সিং নিয়েও আফ্রিদি চমকপ্রদ তথ্য জানিয়েছেন আত্মজীবনীতে।

সেবার শ্রীলংকায় এশিয়া কাপ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে টি-২০ বিশ্বকাপ শেষে ইংল্যান্ড সফরে যান আফ্রিদি। দলের অধিনায়ক তিনি। কিন্তু হুট করেই প্রথম টেস্টের পর নেতৃত্বসহ টেস্ট ক্রিকেট ছেড়ে দেন। নেতৃত্ব পান সালমান বাট। চতুর্থ টেস্টে পাকিস্তান ক্রিকেটের অন্যতম কলঙ্কিত স্পট ফিক্সিংয়ের ঘটনা ঘটে।

এ নিয়ে আফ্রিদি আত্মজীবনীতে লিখেছেন, দুর্নীতি চক্রের প্রমাণ তার হাতে এসেছিল। যারা ফিক্সিং করেছিলেন তাদের ফোনের খুদেবার্তা তার হাতে আসে। তিনি তা টিম ম্যানেজমেন্টকে দেখান। কিন্তু ম্যানেজমেন্টের ভূমিকায় তিনি সন্তুষ্ট হতে পারেননি।

তিনি ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরে লিখেছেন, সালমান বাট ও আমরা তখন শ্রীলংকা সফরে। সেখানে সালমান বাটের এজেন্ট ও ম্যানেজারের মাজহার মাজিদের (যিনি পরে সাজা পান) একটি খুদে বার্তা আমরা হাতে আসে। ওটা হাতে পাওয়া ছিল কাকতালীয়।

শ্রীলংকা সফরে দলের সঙ্গে যোগ দেয় মাজিদের পরিবার। সেখানে শ্রীলংকার এক সৈকতে মাজিদের ছেলে তার বাবার মুঠোফোন পানিতে ফেলে দেয়। পরে মাজিদ ইংল্যান্ডে ফেরার পথে ফোনটি নিয়ে যায় এবং দোকানে তা ঠিক করতে দেয়। সেই দোকানের মালিক আমার এক বন্ধুর বন্ধু। খুদেবার্তাগুলো দোকানের মালিক উদ্ধার করেছিল।

পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের পাঠানো মাজিদের বার্তাগুলো ফোন মেরামতকারী দেখে ফেলে। সে পরে বার্তাগুলো আমার বন্ধুসহ আরও কয়েকজনের কাছে ফাঁস করে। যেটা আমার হাতেও আসে। এই খুদেবার্তা ফাঁস হওয়াতেই সতর্ক হয়ে যায় 'নিউজ অব দ্য ওয়ার্ল্ড'-এর প্রতিবেদক দল।

খুদেবার্তাগুলো আমি কোচ ওয়াকার ইউনুসকে দেখাই। কিন্তু তিনি বিষয়টি বোর্ডকে জানাননি। আসলে ওয়াকারের সঙ্গে আমি তখন ওটাকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করিনি। ওই বছরের টি-২০ বিশ্বকাপের সময় আবদুর রাজ্জাক আমাকে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেছিল, 'সালমান, আমির ও আসিফ ভালো কিছু করছে না'। আমি তার কথায় পাত্তায় দেয়নি।

২০১০ সালে ইংল্যান্ড সফরের আগে মাজিদকে আবারও দলের আশপাশে দেখি। তখন বিষয়টি গড়বড় মনে হওয়ায় তৎকালীন টিম ম্যানেজার ইয়ার সাঈদকে জানায়। তিনিও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। কাগজে সেই বার্তা প্রিন্ট করেও তাকে দেখিয়েছি। কিন্তু তার উত্তর ছিল, 'এ নিয়ে আমরা কী করবো? এ কিছুই না।'

হতাশ হয়েছিলাম। তবে খুব বেশি প্রতিবাদ করিনি। খুদেবার্তা অনেকের কাছেই ততক্ষনে ছড়িয়ে পড়েছে। কিছু একটা ঘটছে ধরেই সম্ভবত ঠিক সময়েই 'নিউজ অব দ্য ওয়ার্ল্ড' অপারেশন চালায়। প্রথম টেস্টের চতুর্থ দিন সালমানকে বললাম, এখন থেকে তুমি দায়িত্ব নিতে পারো। তবে স্বীকার করি ওভাবে আমার দল ছাড়া উচিত হয়নি। বাড়ি না ফিরে দ্বিতীয় টেস্ট খেলা উচিত ছিল। পরে মনে হয়েছে, টেস্ট ক্যারিয়ার অকালেই থেমে গেল।





© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৮
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ই মেইল: [email protected], [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন
কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};