ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
106
সেকাল বনাম একাল
Published : Tuesday, 14 May, 2019 at 12:00 AM
সেকাল বনাম একালশান্তিরঞ্জন ভৌমিক ||
স্কুল জীবনে ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রে বাংলা থেকে ইংরেজিতে ভাষান্তর করার জন্য প্রশ্ন থাকত। যাকে বলা হতো ঞৎধহংষধঃরড়হ. তাতে একটি বাংলা বাক্য ইংরেজিতে ভাষান্তর করার জন্য প্রায়শ: থাকত- ‘ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগী মারা গিয়াছে।’ এবং বাক্যটি ভাষান্তর করার পর বলা হতো এটা কোন কাল (ঞবহংব)। এই বাক্যটির সঙ্গে একটি ‘সময়’ জড়িয়ে আছে, যা এখন ‘সেকাল’। আগে কেউ অসুস্থ বা রোগগ্রস্ত হলে ডাক্তার ডাকা হতো, ডাক্তার খবর পেয়ে রোগীর কাছে সম্ভাব্য ঔষধপত্র নিয়ে হাজির হতেন এবং এভাবে চিকিৎসা শুরু যেতো। বাল্যকালের স্মৃতি- ডাক্তারের কাছে রোগী যেত না, খবর দিলে বা পেলে ডাক্তারই রোগীর কাছে চলে আসতেন। ইংরেজিতে এটাকে ‘ঈধষষ ড়হ’ বলা হতো। সময় বদলিয়েছে, নদীগুলো আর আগের মতো বহমান নয়। সুতরাং ডাক্তাররা আর এখন রোগীর কাছে বা রোগীর বাড়ি যান না। রোগী যতই মরণাপন্ন হউন না কেন, রোগীকেই ডাক্তারের কাছে যেতে হয়, যেতে হবেই। রোগী মৃতপ্রায় অবস্থায় ডাক্তারের কাছে গেলেই কিন্তু দেখা পান না। তাকে সিরিয়াল নিতে হয়। এতে রোগী মরে গেলে ডাক্তার দায়ী হন না। সিরিয়াল ভাঙা যাবেনা। সেজন্য রোগীকে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয়। অবশ্য চেয়ারে বসে টেলিভিশন দেখার ব্যবস্থা থাকে। ডাক্তার বসে থাকেন ক্লিনিক বা চেম্বার নামক রাজকীয় অট্টালিকায়, চারদিকে শান শান সাজানো গুছানো ব্যবস্থা, হাতের কাছে দেহতরীর হিসেব খাতা, মেশিনে দেহটি ঢুকালে কতগুলো আঁকাবাঁকা কাগজ বেরিয়ে আসে, সিংহাসনে বসে ডাক্তার তা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখেন- একটা শক্ত কাগজে ‘দাওয়াই’ লিখে দেন দর্শনীর বিনিময়ে। বিশেষ কোম্পানী এ দাওয়াই-এর মালিক। কারণ, দাওয়াইর কাগজটি নিয়ে বের হতেই কতক পাহারাদার দেখতে চান, জানতে চান- কোন কোম্পানীর ‘দাওয়াই’। এখানে যেকোনো কারণেই হোক- একটা দায়বদ্ধতার বিষয়- আশয় থাকে হয়ত। এখন প্রশ্ন- কেন ডাক্তাররা রোগী বাড়ি যান না? তার অনেক যৌক্তিক কারণ অবশ্যই আছে। হাসপাতালে রোগী যাউক, তা অনেক ডাক্তারই পছন্দ করেন না। হাসপাতাল সরকার কর্তৃক পরিচালিত, এখানে চিকিৎসা ব্যয় তুলনায়মূলক কম। ডাক্তাররাও অনেক প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হয়ে সরকারি চাকুরি পেয়ে থাকেন। তাঁরা অবশ্যই ভালো ডাক্তার হবেন- এটাই প্রত্যাশা। তাঁরাও অনেক সময় নির্ধারিত- নির্বাচিত ক্লিনিককে বেশি পছন্দ করেন- তাঁদের পরামর্শে এ বিষয়টি অনেকটা স্পষ্ট। ঠাকুরমা (দাদী) বলতেন- ‘হাসপাতালে রোগী নিতে নেই। তার আশেপাশে যমরাজ ঘুরাফেরা করে।’ একটা সংস্কার। রোগী ঘর থেকে বের হলে নাকি আর ফিরে আসে না। এজন্য ডাক্তারই রোগী বাড়ি যেতেন, এখন এ বিষয়টি সম্পূর্ণ উল্টো, ব্যতিক্রম শুধু একবার হলো। আমাদের মাননীয় মন্ত্রী জনাব ওবায়দুল কাদেরকে দেখতে খ্যাতিমান হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা: দেবী শেঠি উড়ে এসে দেখে গেলেন রোগীও এ যাত্রায় বেঁচে গেলেন। রোগী ডাক্তারের কাছে গেলে বেশি দিন নাকি বাঁচে না। আর যদিও বাঁচে তবে আমৃত্যু দাদন দেয়ার প্রতিশ্রুতিতে। কথাটি বললাম এজন্য যে, ফেইসবুকে দেখলাম- একজন ডাক্তার বলছেন- একজন রোগী সুস্থ হলে আয় কমে বৈ বাড়ে না। চমৎকার।
স্কুলজীবনে উপরের ক্লাশে বিশেষত সপ্তম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণিতে অন্যান্য বিষয়ের সাথে ভাষা শিক্ষা গ্রহণের জন্য আরবী ও সংস্কৃত- এ দুটি ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা ছিল। যেকোনো ছাত্র-হিন্দু হোক বা মুসলমান হোক- যেকোনো একটি ভাষা নিয়ে পড়াশোনা করতে পারতো। এমনিতে বাধ্যতামূলক মাতৃভাষা হিসেবে বাংলা, ইংরেজ শাসিত ভারতবর্ষে ইংরেজি ভাষা পড়াশোনা করতে হতো। এছাড়া আরবী বা সংস্কৃত। এখন স্কুলে এ দুটো ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা নেই। তার পরিবর্তে শিক্ষা দেয়া হয় স্ব স্ব ধর্মীয় বিষয়। অর্থাৎ ছাত্র বয়সেই জেনে যায়- ছাত্রটি হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, না খ্রিস্টান এবং ধর্মীয় শিক্ষার ফলে ছাত্রবয়সেই পৃথক মানসিকতা নিয়ে বেড়ে ওঠে। ‘ছাত্র’ শব্দটি সার্বজনীন ও অসাম্প্রদায়িক। কিন্তু এখনকার শিক্ষা ব্যবস্থায় তাকে এতটাই সংকীর্ণ করে তুলেছে- ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একধরনের হীনবুদ্ধি নিয়ে যাপিত জীবন পথে এগিয়ে চলে। তা কি ঠিক? ধর্মীয় শিক্ষার ক্ষেত্র আলাদা এবং নিজস্ব পরিমন্ডলে, সার্বজনীন শিক্ষা ক্ষেত্রে তা অবশ্যই বেমানান।
পড়ছিলাম রিজিয়া রহমানের আত্মজীবনী ‘নদী নিরবধি’। তিনি লিখেছেন- ‘সপ্তম শ্রেণীতে উঠেই জানতে পারলাম, অন্যান্য বিষয় বাংলায় পাঠ গ্রহণের অনুমতি মিললেও ধ্রুপদী আরবি ভাষা এবং বাধ্যতামূলক উর্দু ভাষা শিখতে হবে।’ আরবি পড়াতে জিন্নাহ টুপি পরে একজন আরবি শিক্ষক ক্লাসে ঢুকেই মেয়েদের বললেন ‘তোমরা মাথায় কাপড় দাও। আরবি ক্লাসে পর্দার সঙ্গে আসবে। বেপর্দা হয়ে আসবে না।’ ... তিনি লিখেছেন-
‘উঠে দাঁড়ালাম, মাথায় কেন কাপড় দেব স্যার? আমরা তো নামাজে দাঁড়ালে, আর কুরআন শরিফ পড়ার সময় মাথা ঢাকি।’ শিক্ষক রেগে গেলেন। বললেন, ‘তুমি জানো না এটা আরবি ক্লাস?’ রিজিয়া রহমান বললেন, ‘জানি স্যার, এটা আরবি ভাষা শেখার ক্লাস। আমরা এখানে নামাজ, কুরআন পড়া শিখছিনা।’
শিক্ষক তাঁকে বেয়াদব ইত্যাদি বলে শাসিয়েছিল। তিনিও আর আরবি পড়লেন না।
আরবির পরিবর্তে উর্দু পড়বেন। তিনি লিখেছেন- আরবি শিক্ষকের ছিল অন্ধকূপমন্ডুকতা। ... উর্দুর ওস্তাদের ব্যবহারের মান ছিল আরো নিচে, রীতিমত অরুচিকর।’ তিনি ছাত্র/ছাত্রীদের ‘তুই’ করে সম্বোধন করতেন। একদিন তাঁকে ‘তুই’ বলায় প্রতিবাদ জানালেন। বললেন- ‘আপনি আমাকে তুই বলবেন না আর।’ আর যায় কোথায়। উর্দুর ওস্তাদ খেপে গেলেন- বললেন, ‘আরে ব্যাদ্দব মাইয়া, কার লগে কথা কছ জানসনি? যা, বাইরা, অক্ষণই বাইরাইয়া যা ক্লাসের থন। বেশরম, বেলেহাজ।’ তিনি লিখেছেন- ‘উর্দু ক্লাসে গেলাম না। আরবি ক্লাসেও নয়। পাকাপাকিভাবেই ছেড়ে দিলাম স্কুলে যাওয়া।’ কী প্রতিবাদ। অথচ এই রিজিয়া রহমান এখন বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক।
এখন স্কুলে আরবি-উর্দু-সংস্কৃত ভাষা শিক্ষা দেয়া হয়না। তার পরিবর্তে স্ব স্ব ধর্মগ্রন্থ বিষয়ে পড়াশোনা করানো হয়। যখন শুনি- এই ধর্মীয়  পাঠ্য পুস্তকের জন্য স্কুলে হিন্দু ছাত্রদের জন্য আলাদা সেকশন, মুসলমান ছাত্রদের জন্য আলাদ সেকশন, এভাবে সহপাঠী হয়েও বন্ধু হয়ে না উঠার জন্য যে বিষময় নিয়ম চালু করেছে কোনো কোনো নামকরা স্কুল, তার পরিণতি কি তা কি ভাবা হচ্ছে? শিক্ষকগণ যে তাদের গ্রহণযোগ্যতা, মান্যতা, শ্রদ্ধা বিভাজন করে তুলেছেন, এ বিষয়টি মাথায় সামান্যতম নাড়া দেয় না? শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিককরণের প্রচেষ্টায় সরকার কতই না আন্তরিক। আর যাঁদের মাধ্যমে এ আধুনিককরণের ব্যবস্থা তারা যে সাম্প্রদায়িক অনুভূতিকে বাল্য বয়সেই কোমলমতি ছাত্র/ছাত্রীদের অন্তরে অনুপ্রবেশ ঘটাচ্ছেন- তাকে দেখভাল কে করবে? শিক্ষা কর্মকর্তার কাজ কি, প্রশাসনের শিক্ষা শাখার তদারকি কি তারা দেশের শিক্ষাকে কোন অন্ধকার গহ্বরে নিয়ে যেতে চান- জানতে চাই, বুঝতে চাই। আমার শিক্ষক- শুধু আমার শিক্ষক, তিনি হিন্দু কি মুসলমান আমার বিবেচ্য বা বিচার্য বিষয় নয়।’
পা ধরে প্রণাম বা সালাম করি। হাত তুলে সম্মান জানাই। তা যে লোপ পেতে চলেছে। শিক্ষক যে ধর্মীয় পরিচয়ে বিভাজন হয়ে যাচ্ছে? বঙ্গবন্ধু একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ উপহার দিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক দেশ উপহার দিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িতা একটি প্রতিজ্ঞা-অনুষঙ্গ। শিক্ষা ক্ষেত্রে কৌশলে যে সাম্প্রদায়িকতার বীজ বপন করা হয়েছ, তাকে কি দেখভাল করার কেউ নেই?
স্কুলজীবনে কোনোদিন জুতা পরে যাতায়াত করিনি, অভিভাবক যে পোশাক সংগ্রহ বা কিনে দিতেন, তা-ই পরতাম। সুতরাং ক্লাশে আমাদের গায়ে একরকম পোশাক থাকত না। তা অনেকটাই অর্থনৈতিক কারণে। এ বিষয়টি উল্লেখ করছি এজন্য যে, শহর বা গ্রাম সকল জায়গায় বিশেষত স্কুল পর্যায় (প্রাথমিক ও মাধ্যমিক) স্কুলের পোশাক নির্ধারিত, সঙ্গে জুতা ইত্যাদি। তা কোনো কারণে ছাত্র/ছাত্রী না পরে গেলে শাস্তিযোগ্য অপরাধের জন্য দন্ডিত হয়। এখনও বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক অর্থনৈতিক স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারেনি। এসব বাদ দিলেও একটি বিষয় উল্লেখ করতে হয়। আমরা তথা আমাদের সময়ে স্কুলে পড়ার সময় কখনও অভিভাবকগণ তাঁদের সন্তানের সঙ্গে স্কুলে যেতেন না অর্থাৎ নিয়ে যেতেন না। শুধুমাত্র ভর্তি করানোর সময় একবার। এখন শহর কিংবা গ্রাম সবখানেই ছাত্র/ছাত্রীদের সঙ্গে মা অথবা বাবা অথবা অভিভাবক শ্রেণির কেউ না কেউ সঙ্গে থাকেন, স্কুলে নিয়ে যান, বসে থাকেন অথবা নিয়ে আসেন, আমাদের সময়ে মেয়েদের স্কুলে নিয়ে যাওয়ার বিশেষত শহরের আয়া থাকত, মাসোয়ারার বিনিময়ে এ কাজটি করত। শহরে কারো সামর্থানুযায়ী বাঁধা রিক্সা থাকত। কিন্তু এখন স্কুল-কলেজে পড়–য়া ছাত্র/ছাত্রদের সহগামী অবশ্যই একজন থাকেন। তারপরও ঝগড়া হয়, মারামারি হয়, কাটাকাটি হয়, খুনাখুনি হয়, হচ্ছে। যখন সঙ্গে কেউ থাকত না, এ ঘটনা ঘটেনি। তখন ছাত্র-ছাত্রীরা সহপাঠী বা বন্ধু হওয়ার সুযোগ পেয়েছে, পরস্পরের বোঝাপড়ার বিষয়টি সহজ, স্বাভাবিক ও স্বচ্ছ ছিল। সেই বন্ধুকে এখনও মনে আছে, মনে পড়ে। এখন একই ক্লাশে পড়ে স্কুলে জীবন কাটালেও বন্ধু হওয়া দূরে থাক, প্রতিদ্বন্দ্বী বা প্রতিপক্ষ হয়ে পড়ে। ফলে অনেকদিক দিয়েই দূরত্ব- শুধু দূরত্ব।
মনে পড়ে কলেজে ভর্তি হওয়ার পর পূজোর বন্ধে বাড়ি আসার আগে বন্ধুদের চিঠি লিখতে ঠিকানা লিখে দিয়েছি, ঠিকানা নিয়ে এসেছি। একদিন আমার গ্রামের পোস্ট অফিসে ১৭টি চিঠি আসে, আমার ৯টি। অবাক কা-, আজকাল মোবাইলের কারণে চিঠি লিখা বন্ধ হয়ে গেছে, পোস্টাপিসে এখন লালবাতি জ্বলছে। এই চিঠি লেখায় ডাকবিভাগ কতটুকু উপকৃত হয়েছে বা এখন ভরাডুবি হচ্ছে, তারচেয়েও জীবনের এক সোনালি ক্ষণের চিন্তা-ভাবনার অবাধ চলার মুক্ত বিহঙ্গের মতো মায়াবন বিহারীর মনের গোপন অপ্রয়োজনীয় কথাগুলো যেন হারিয়ে যাচ্ছে, সৃজনশীলতা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। নান্দনিক ভাবনাগুলো মোবাইলে আত্মহুতি দিচ্ছে। এজন্যই হয়ত এখন আর মনের কথা লিখা হয় না, কথা হয়, সাহিত্য হয় না। কেবল দেহের কথা হয় বেশি। আর একটি দেহ অপর দেহকে কামনা করে- মনের সাথে সাথে বাস্তবে দেহ ধর্ষিত হতে থাকে। এ সংক্রামণব্যাধিতে আজ শিশু-যুবা-প্রৌঢ়-বৃদ্ধ আক্রান্ত। মনোবিজ্ঞানীরা কি ভাবছেন জানিনা- প্রজন্ম তো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। প্রশ্ন- সেকাল ভালো ছিল- না একাল।





সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৮
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ই মেইল: [email protected], [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন
কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};