ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
141
ধ্বংসাত্মক প্রবণতা রোধ করুন
Published : Monday, 10 June, 2019 at 12:00 AM
ধ্বংসাত্মক প্রবণতা রোধ করুননদী বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে-কথাটি সম্ভবত আমরা বলার জন্য বলি, বিশ্বাস করি না। কিন্তু এটি মোটেও কথার কথা নয়, পুরোপুরি বাস্তবভিত্তিক এবং এর পেছনে অনেক বৈজ্ঞানিক কারণ রয়েছে। নদী মরে গেলে উজানের পানি ও বৃষ্টির পানি গ্রাম-শহর-ফসলের মাঠ ভাসিয়ে দেবে, জলাবদ্ধতা হবে এবং সর্বশেষ সাগরে চলে যাবে। এতে রাস্তার স্থায়িত্ব কমে যাবে। বর্ষা শেষ হতেই মৃতপ্রায় নদীগুলো পানিশূন্য হয়ে পড়বে। ভূগর্ভে যথেষ্ট পানি প্রবেশ করতে পারবে না। পানির স্তর ক্রমেই নিচে নেমে যাবে। চাষাবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ক্রমে মরুকরণ প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে। এমনি আরো অনেক কারণ রয়েছে এ কথা বলার যে নদী বাঁচলেই দেশ বাঁচবে। বাংলাদেশ ধীরে ধীরে সেদিকেই এগোচ্ছে। অথচ আমাদের প্রশাসন তা বিশ্বাস করে না এবং নদী দখল ও ভরাটের মহোৎসব থামাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয় না। গতকাল কালের কণ্ঠে প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, খুলনা জেলায় নদীর চর ও নদী ভরাট করে বৈধ ও অবৈধ কয়েক শ ইটভাটা গড়ে উঠেছে। সঙ্গে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, ভরাট করতে করতে একেকটি ইটভাটা কিভাবে ধনুকের মতো বেঁকে নদীর মাঝ বরাবর চলে গেছে। এই চিত্র দেখার পর কেউ কি বিশ্বাস করবেন, সেখানে প্রশাসন বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব আছে?
প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, খুলনা জেলা প্রশাসন ১১৭টি ইটভাটার লাইসেন্স দিয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, জেলায় ইটভাটা রয়েছে ১৪২টি। সম্ভবত তারা ১৪২টি ইটভাটার ছাড়পত্র দিয়েছে। বাস্তবে ইটভাটা রয়েছে তার চেয়ে অনেক বেশি এবং সবই অবৈধ। মালিকরা প্রভাবশালী হওয়ায় কোনো অবৈধ ইটভাটাই বন্ধ হয় না। তারা এসংক্রান্ত আইনের কোনো তোয়াক্কাও করে না। জানা যায়, তারা নদীতে বিশেষ কায়দায় বাঁধ তৈরি করে। পরে সেখানে প্রচুর পলি জমা হয় ও নদী ভরাটের কাজ সহজ হয়ে যায়। অনেক সময় এসব পলি ইট তৈরিতেও ব্যবহৃত হয়। ইট পরিবহনকারী ট্রাক চলাচলের কারণে স্থানীয় অনেক রাস্তাই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। কয়লা ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা থাকলেও অনেক ভাটায়ই দেদার কাঠ পোড়ানো হচ্ছে। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩ অনুসারে লোকালয়, বন ও সড়ক থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে ভাটা স্থাপন করার কথা থাকলেও প্রায় কেউই তা মানছে না। কিন্তু আইনের যথাযথ প্রয়োগও নেই।
এ অবস্থায় সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে-সরকার দেশ, দেশের পরিবেশ ও নদী বাঁচাবে, নাকি কিছু প্রভাবশালী মানুষকে সব ধ্বংস করে বিত্তশালী হওয়ার সুযোগ করে দেবে। আমরা চাই, খুলনার প্রশাসন এত নির্বিকার না থেকে ভাটাগুলোর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিক।





© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৮
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ই মেইল: [email protected], [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন
কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};