ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
124
আব্দুল মান্নানদের মৃত্যু নেই
Published : Friday, 12 July, 2019 at 12:00 AM
আব্দুল মান্নানদের মৃত্যু নেইহাবিব উল্যা চৌধুরী ।।

মান্নান ভাইয়ের সাথে প্রথম দেখা ১৯৬৪ সালে। আমি তখন কুমিল্লা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি। মান্নান ভাই চট্টগ্রাম জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি। নোয়াখালীর সভাপতি অধ্যাপক হানিফ। আব্দুল মান্নান বয়সে আমার ১ বছরের বড়। তার সাথে দেখা হওয়ার প্রেক্ষাপটটি বলি। তখন কেন্দ্রীয় এবং জেলা ছাত্রলীগের মেয়াদ ছিল ১ বছর। ১ বছর পর সম্মেলন করে নতুন কমিটিকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে হতো। ১৯৬৩ সনে আমি কুমিল্লা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করি আমার সাথে সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রেজাউর রহমান। দেশজুড়ে তখন প্রবল আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন চলছে। উল্টোদিকে নির্যাতন ও ধরপাকড়ও চলছে সমানতালে। ইতমধ্যে সম্মিলিত বিরোধী দল (কপ) গঠিত হয়েছে। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সবাপতি কে এম ওবায়দুর রহমান কারাগারে। সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল আলম সহ অধিকাংশ নেতা আত্মগোপনে। জেলা পর্যায়েও একই অবস্থা। ফলে নির্ধারিত সময়ে আমরা সম্মেলন করতে ব্যর্থ হলাম। এহেন পরিস্থিতিতে ঢাকায় সকল জেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের ডাকা হলো পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে। সভার আনুষ্ঠানিক তারিখ এখন আর মনে নেই। যথাসময়ে রেজা কে নিয়ে রাতের ট্রেন যোগে ঢাকা রওনা হলাম। ঢাকাগামী ট্রেনের ভাড়া তখন ৮আনা কি ১২আনা। রেজার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল সমূহে যাতায়াত থাকলেও আমার কাছে ঢাকা শহর অনেকটাই অচেনা। ফুলবাড়ীয়া স্টেশনে আমরা অবতরণ করলাম। তখনও কমলাপুর রেল স্টেশন হয়নি। দুজনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত হলাম। নতুন জায়গা ঠিকমত কিছুই চিনি না। কার্জন হলের পেছনে ঢাকা হল এ কথা জানি। ঢাকা হলের লাগোয়া আরেকটি হল ছিল এখন আর নাম মনে করতে পারছি না। ঢাকা হলের হাউজ টিউটর তখন আমাদের কুমিল্লার প্রথিতযশা আইনজীবি এডভোকেট আবদুল আলিম সাহেবের সুযোগ্য পুত্র অধ্যাপক আলী নোয়াব পূর্ব পরিচিত। তাই আমার ঝোঁক ছিল ঢাকা হলে উঠার। কিন্তু রেজা আমাকে নিয়ে গেল ইকবাল হলে, সেখানে আমাদের অভ্যর্থনা জানালেন সিরাজুল আলম খান। সেদিনই প্রথম সিরাজ ভাই এর সাথে সম্মুখ পরিচয়। সিরাজ ভাই আমাদের নাস্তা করাতে নিয়ে গেলেন ইকবাল হলের ক্যাফেটেরিয়ায়। সেখানে জীবনে প্রথম তেলে ভাজা মচমচে পরোটা খেলাম সাথে ডিমের ওমলেট। এর পূর্বে তেলে ভাজা পরোটা আমার নিকট অপরিচিত ছিল কারণ কুমিল্লায় তখন সেঁকে পরোটা বানানো হত। দেখলাম অন্যান্য জেলা থেকেও লোকজন আসছে কিন্তু কেউ কাউকে চিনে না। শুনলাম রাতে সভা হবে। দিনের বেলা তখন গোয়েন্দাদের নজর এড়িয়ে সভা করার মত কোন স্থান ছিল না। রাতের আধারেই ভরসা। রাত সাড়ে দশটায় ইকবাল হলের ক্যাফেটেরিয়ায় সভার শুরু উপস্থিতির পরিমাণ আনুমানিক ৭৫-৮০ জন।ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহ মোজহারুল হক বাকীর সভাপতিত্বে সভার কাজ শুরু হল। আমার ডানে রেজা ও খালেদ মোহাম্মদ আলী (নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক) ডান দিকে ছিপছিপে লম্বা কৃষ্ণবর্ণের চোয়াল ভাঙ্গা এক তরুণ। নাম জিজ্ঞাসা করাতে বললেন আমার নাম আব্দুল মান্নান, সেই প্রথম পরিচয়। ঘন্টাখানেকের মধ্যে দুজনে বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়লাম। চট্টগ্রাম কলেজে তখন ছাত্রইউনিয়নের জয়জয়কার। পক্ষান্তরে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে ছাত্রইউনিয়ন ছাত্র শক্তি মিলিত প্যানেল দেয়ার পরেও আমাদের প্রার্থী আবদুল মান্নান মজুমদারের নিকট পরাজিত। মান্নান ভাই তার সাংগঠনিক প্রতিবেদনে হিন্দুরা সবসময় ছাত্রইউনিয়নের পক্ষে থাকে বলে হতাশা ব্যক্ত করলেন। আমি এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ব্যক্ত করলাম। উল্টো তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক কাজে অমনোযোগী হওয়া এবং হিন্দুদের সাথে সর্ম্পক উন্নয়নে ব্যার্থতার অভিযোগ আনলাম। দুজনেরই বয়স কম জড়িয়ে পড়লাম বাক বিতন্ডায়। সিরাজ ভাই এবং বাকী ভাই এর হস্তক্ষেপে দুজনেই নিবৃত্ত হলাম। সভার বিরতির মাঝখানে দুজনেই দুজনের কাছে দু:খ প্রকাশ করে হাত মেলালাম। তিনি বগা সিগারেট (কিংস্টার) খেতেন। নিজে অর্ধেকটা খেয়ে বাকী অর্ধেকটা আমাকে অফার করলেন। সেই শুরু, তারপর মান্নান ভাই এর সাথে সংগঠনের কাজে কত দিবস রজনী অতিবাহিত করেছি তার ইয়ত্তা নেই। এখনও মনে আছে আলোচ্য এ সভাটি তিনরাত্র ব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়েছিল। শাসক গোষ্ঠীর হাতে ধরা পড়ে যাবার ভয়ে প্রতিদিন রাত দশটার পর সভার কাজ শুরু হত এবং চলত ফজরের আযান দেওয়া পর্যন্ত। সভার শেষে আমরা ঘুমাতাম। কি কঠিন ছিল তখন রাজনীতি করা ছাত্রলীগ করা! মান্নান ভাই আমার কাছে হিন্দুদের সাথে সর্ম্পকন্নোয়নের পথ জানতে চাইতেন বারবার। ঢাকায় যতদিন ছিলাম মান্নানভাই এবং আমি প্রতিবার একটি কিংস্টার সিগারেট দুইভাগ করে খেতাম।
কুমিল্লায় ফিরে আসার পূর্বে মান্নান ভাই আমাকে বারবার চট্টগ্রাম বেড়াতে যাবার আমন্ত্রণ জানালেন। তার আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে একদিন চট্টগ্রাম উপস্থিত হলাম। আমার বড় বোন খুকী আপার বাসা ছিল আগ্রাবাদে। তার বাসায় আমার ব্যবহার্য জিনিসপত্র রেখে মান্নান ভাই এর সন্ধানে বের হলাম। এসময় আমার কিছু ভ্রান্ত ধারনার অবসান হয়। কুমিল্লা শহরের শান শওকত এবং আমাদের সাংগঠনিক শক্তিমত্তা নিয়ে আমার মধ্যে একটা উঁচু ধারনা কাজ করতো। এখানে এসে দেখলাম দ্রুত বর্ধনশীল চট্টগ্রাম শহর। শিল্পায়নের প্রবল হাওয়া লেগেছে এখানে। তরতর করে বেড়ে উঠছে বিভিন্ন শিল্প কারখানা। বটতলী রেলস্টেশন সর্বদা লোকে লোকারণ্য। আওয়ামী লীগ অফিসে সবসময় কর্মীদের সমাগম অথচ আমাদের এখানে এড. আহমদ আলীর বাসা কিংবা এড. আমীর হোসেনের বাসাই সম্বল। মাঝে মাঝে আজিজ খানের কান্দিরপাড় অফিসেও বসতাম। বাণিজ্যিক নগরীর সাথে মফস্বল শহরের পার্থক্য সুস্পষ্ট উপলদ্ধি করলাম। চট্টগ্রাম এসে দেখলাম মান্নান ভাই কি সুনিপুন দক্ষতায় এখানে ছাত্রলীগকে সংগঠিত করেছেন। পাশাপাশি মুরুব্বী সংগঠন আওয়ামীলীগকেও তাদের কার্যক্রমে সহায়তা দিচ্ছেন। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে মণি ভাই, সিরাজভাই ও রাজ্জাক ভাই মিলে নিউক্লিয়াস গঠন করলে কুমিল্লায় নিউক্লিয়াস কে সংগঠিত করার জন্য আমি এবং এনায়েতুর রহমান দায়িত্বপ্রাপ্ত হই। চট্টগ্রামের দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন আবদুল মান্নান। মজার বিষয় কি তার সাথে এত কথা হত, দেখা হত কিন্তু নিউক্লিয়াস বিষয়ে কেউ কারো সাথে কোন কথা বলতাম না। কারণ নিউক্লিয়াস গোপন সংগঠন ছিল। স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত তরুণদের সশস্ত্র যুদ্ধের জন্য সংগঠিত করা এবং প্রশিক্ষিত করাই ছিল এই গোপন সংগঠনের কাজ। আমরা আমাদের কাজের জন্য জবাবদিহি করতাম মণি ভাই, সিরাজ ভাই এর নিকট। আবার তারা জবাবদিহি করতেন সরাসরি বঙ্গবন্ধুর নিকট। এভাবে আমরা সংগঠিত হচ্ছিলাম। কি দু:সহ পরিস্থিতির মাঝে আমাদেরকে সংগঠন করতে হয়েছে তা আজকের প্রজন্ম কে বলে বোঝানো যাবেনা! শত নির্যাতন এবং ভীতির মুখেও সেদিন সংগঠনের দায়িত্বে অবিচল ছিলেন।
৬৬ সাল থেকে তার সাথে আমার যোগাযোগ কমে যায়। ততদিনে তিনি চট্টগ্রামের আঞ্চলিক রাজনীতি তথা ডান রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েছেন। ৬৮ সনে তার উত্তরসূরীদের কাছে দায়িত্ব প্রদান করে নিউক্লিয়াস থেকেও নিজেকে সরিয়ে নেন। কেননা ততদিনে তিনি চট্টগ্রাম শহর আওয়ামীলীগ কে সংগঠিত করার কাজে নিজেকে পুরোপুরি ব্যাপৃত করেছেন। এখানে একটি বিষয় না বললেই নয়। মান্নান ভাই এর পূর্বপুরুষদের ভিটা নোয়াখালীতে চট্টগ্রামের নেতারা সাধারণত বাইরের লোকদের নেতৃত্বের আসনে প্রতিষ্ঠিত করতে চান না। সেখানে আবদুল মান্নান এক ব্যাতিক্রমী নাম। তৃণমূল থেকে রাজনীতি শুরু করে চট্টগ্রামের রাজনীতির যে আসনে তিনি নিজকে অধিষ্ঠিত করতে সফল হয়েছেন তা অনন্য অসাধারণ।
তারপর কর্ণফুলি আর গোমতীর পানি গড়িয়েছে বহুদুর। দীর্ঘদিন তার সাথে কোন যোগাযোগ নেই।  প্রিয় মান্নান ভাই এর সাথে আবার দেখা হল ১৯৮০ সালের দিকে লাকসাম জংশনে। সে এক বেদনা বিধুর গল্প। আমি তখন আন্ডার গ্রাউন্ড লাইফ থেকে ফিরে এসে আইন পেশায় মনোনিবেশ করেছি। দাওয়াত খেতে লাকসাম গিয়েছিলাম। হঠাৎ দেখি জংশনে লোকজনের জটলা। ৪/৫ জন পুলিশ দুজন লোককে কোমরে দড়ি বাধা অবস্থায় মিস ট্রেন থেকে নামিয়ে এনেছে। কৌতুহল নিবৃত্ত করতে না পেরে সামনে এগিয়ে গেলাম। সামনের দৃশ্য দেখে পায়ের রক্ত মাথায় উঠে গেল। একটি হাতকড়া মান্নান ভাই এবং হাসানুল হক ইনুর হাতে পরানো। কোমরে দড়ি বাধা মান্নান ভাই এর বিধ্বস্ত চেহারা পায়ে ক্ষয়ে যাওয়া চপ্পল। চোখে হতাশা কিন্তু পরাজিত না হবার দৃঢ় প্রত্যয়। আমার সাথে লাকসামের জাসদ নেতা নজির আহমেদ ভূইয়া, লাকসাম কলেজের ভিপি অমূল্য আরও কয়েকজন সহ ইতমধ্যে আমার আসার খবর পেয়ে উপস্থিত হয়েছেন আওয়ামীলীগের মোস্তফা কামাল (পরে লাকসাম পৌসভার চেয়ারম্যান)। কামাল অশ্রাব্য ও ছাপার অযোগ্য ভাষায় পুলিশ কে গালাগালি শুরু করল। কোন আইনে মান্নান ভাই এর কোমরে দড়ি বাধা হল আমি পুলিশের নিকট তার ব্যাখা দাবী করলাম। কামাল এর  উত্তেজনা আর দশাসই শরীর দেখে পুলিশ অনেকটা নার্ভাস হয়ে গেল। ভাবলাম কি বিচিত্র এই দেশ যে মান্নান ভাই সারাটা জীবন নিজের জীবন বাজী রেখে দেশের জন্য কাজ করেছেন, মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত করছেন রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে সেই মান্নান ভাই এর কোমরে দড়ি। ওদিকে জনতার উপস্থিতি বেড়েই চলেছে। মান্নান ভাই নিশ্চুপ শুধু আমাকে বললেন হাবিব ভাই এত বছর পরেও আমাকে মনে রেখেছেন? আমরা মান্নান ভাইকে নিয়ে প্রথম শ্রেণির ওয়েটিং রুম গেলাম। স্টেশন মাষ্টার টাইগারপাসের হায়দার মান্নান ভাইকে এ অবস্থায় দেখে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ল। আমরা সেখানে মান্নান ভাই কে বসিয়ে পরম মমতায় দুপুরের খাবার খাওয়ালাম। মান্নান ভাই এর প্রিয় ডিমপোচ, পটের দই আনা হল। পরিশেষে ৫ পেকেট স্টার সিগারেট মান্নান ভাই এর হাতে গুজে দিয়ে অশ্রু সজল নয়নে বিদায় নিলাম। মান্নান ভাইকে নিয়ে পুলিশ সদস্যরা কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের উদ্দেশ্যে রওনা হল। নির্লোভ নিরহংকারী এই মহৎ প্রাণ মানুষটির সাথে এরপর আর সম্মুখ সাক্ষাত হয়নি।
দৈহিক ভাবে মান্নান ভাই হয়তো বিদায় নিয়েছেন এই নশ্বর পৃথিবী থেকে। কিন্তু এটুক বুঝি, এটুকু বিশ্বাস করি মান্নান ভাইয়েরা কখনও মরেন না। আলোকবর্তিকা হয়ে মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় বেচে থাকেন যুগ যুগ ধরে।
লেখক পরিচিতি:  সাবেক সভাপতি কুমিল্লা জেলা ছাত্রলীগ, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক
সাক্ষাৎকার গ্রহণ ও অনুলিখণ- আহসানুল কবীর লেখক, গবেষক ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা








© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৮
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ই মেইল: [email protected], [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন
কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};