ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
79
দালাল ও এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন
Published : Thursday, 7 November, 2019 at 12:00 AM
দালাল ও এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিনপঞ্চগড় জেলার বোদা সদর থানার রফিকুল ইসলামের মেয়ে সুমি আক্তার। দুই বছর আগে আশুলিয়ার চারাবাগের নুরুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। টানাটানির সংসারে একটু সুখের আশায় সৌদি আরব পাড়ি দিয়েছিলেন তিনি। কোনো রকম খরচ ছাড়া বিদেশে যাওয়ার সুযোগ পেয়ে তাঁর আনন্দের সীমা ছিল না। দালালদের মিষ্টি কথার আশ্বাসে সাতপাঁচ না ভেবে ভবিষ্যৎ গড়ার আশায় পাড়ি জমান তিনি। কিন্তু দালালরা সেখানে নিয়ে তাঁকে যে বিক্রি করে দেবে, সে কথা জানতেন না। সৌদি আরব পৌঁছার সপ্তাহখানেক পর থেকেই তাঁর স্বপ্ন ভাঙতে শুরু করে। শুরু হয় তাঁর ওপর অকথ্য নির্যাতনসহ যৌন হয়রানি। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আকুল কণ্ঠে তাঁর ওপর চালানো পাশবিক নির্যাতনের বিবরণ দিয়ে দেশে ফিরিয়ে আনার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। তাঁর আবেদনের ভিডিওটি ফেসবুকে ভাইরাল হয়।
প্রবাসে গিয়ে প্রতারিত হওয়ার ঘটনা শুধু সুমির একার নয়। এমন অজস্র ঘটনা ও খবর সারা বছর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়ে চলেছে। সব ঘটনা হয়তো প্রকাশিতও হয় না। সুন্দর ভবিষ্যতের আশায় মাতৃভূমি ও স্বজনদের ছেড়ে বিদেশে পাড়ি দেওয়া শ্রমিকদের মধ্যে বড় অংশ নারীশ্রমিক। গৃহকর্মী হিসেবে বিদেশে যাওয়ার পর নির্যাতনের শিকার হয়ে শূন্য হাতে দেশে ফিরে আসছেন অনেকে। নির্যাতনের অভিযোগ বেশি আসছে সৌদি আরবে যাওয়া নারীকর্মীদের পক্ষ থেকে।
বিদেশে নারী গৃহকর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকারি বিধিমালা থাকলেও কিছু অসাধু ট্রাভেল এজেন্সি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে দালালদের মাধ্যমে প্রলোভন দেখিয়ে নারীশ্রমিকদের অবৈধভাবে বিদেশে পাঠায়। পরে বিপদে পড়ে অনেকে দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হন। অনেকে লাশ হয়ে ফিরে আসে। জানা যায়, আশুলিয়ার চারাবাগ এলাকার এক নারী দালালের মাধ্যমে পল্টনে থাকা একটি এজেন্সির মাধ্যমে সৌদি আরব যান সুমি। তাঁর স্বামী গত ১১ সেপ্টেম্বর সেই এজেন্সির মালিকের বিরুদ্ধে মামলাও করেছেন। জনশক্তি কর্মসংস্থান ব্যুরোর মহাপরিচালকের দপ্তরে লিখিত আবেদনও করেছেন। এখন পর্যন্ত তাঁকে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে কোনো অগ্রগতি নেই। দালাল নারী কিংবা এজেন্সি মালিকের বিরুদ্ধেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। প্রবাসে বাংলাদেশের নারীরা কি এভাবেই নির্যাতিত হতে থাকবেন? রাষ্ট্র কি কোনো দায়িত্বই নেবে না? অভিযোগ আছে, বিপদগ্রস্ত নারীরা দূতাবাসের সহযোগিতা চাইলে উল্টো তাঁদের সঙ্গে বিদ্রুপ করা হয়। খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে যৌন নির্যাতনের বিবরণ জানতে চাওয়া হয়। এমন অমানবিকতার কী অবসান হবে না।
বৈধ উপায় ছাড়া দালালদের খপ্পরে পড়ে কেউ যেন বিদেশে যেতে না পারে, সে জন্য সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট আইনের কঠোর বাস্তবায়ন জরুরি। এ ছাড়া দূতাবাসগুলোকেও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।







© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৮
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ই মেইল: [email protected], [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন
কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};