ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
393
শীর্ষ পর্যায়ে পদ বাড়ানোর প্রস্তাব পুলিশের
Published : Tuesday, 7 January, 2020 at 12:43 AM
শীর্ষ পর্যায়ে পদ বাড়ানোর প্রস্তাব পুলিশের বাহিনীতে সমন্বয়ের জন্য এসপি থেকে গ্রেড-১ পদে নতুন করে আরও পদ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। পুলিশ সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনে সোমবার (৬ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার কার্যালয়ে (পিএমও) পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠকের সময় ডিএমপি কমিশনার এ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। বৈঠকে পুলিশ বাহিনীতে নারী সদস্যের সংখ্যা বাড়ানোর দাবিও তোলা হয়।

বৈঠক সূত্র জানায়, ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম তার প্রস্তাবনায় বলেন, পুলিশের উচ্চ পদগুলোতে সমন্বয় করতে নতুন পদ সৃষ্টি করতে হবে। এ জন্য তিনি এসপি থেকে গ্রেড-১ পদ পর্যন্ত ৬৭৮টি নতুন পদ সৃষ্টির প্রস্তাব দেন। গ্রেড-১ পদে বর্তমানে আইজিপিসহ ৫ জন কর্মকর্তা রয়েছেন। বাকি চারজন অতিরিক্ত আইজিপি। কিন্তু চেয়ার আছে দু’টি। একটি আইজিপির। আরেকটি অতিরিক্ত আইজিপির (প্রশাসন)।

শফিকুল ইসলামের প্রস্তাবনায় ১৩৩টি এসপি পদ, ১৮৪টি অ্যাডিশনাল ডিআইজি পদ, ৭১টি ডিআইজি পদ, ১৭টি অ্যাডিশনাল আইজি পদ এবং ৮টি গ্রেড-১ পদের কথা রয়েছে। ডিএমপি কমিশনার প্রধানমন্ত্রীর কাছে বলেন, বর্তমানে ২৯ বছর লাগে এডিশনাল আইজিপি হতে। ২৪ বছর লাগে ডিআইজি ও ১২ বছর লাগে এসপি হতে। তিনি বলেন, নিচের দিকের পদের তুলনায় ওপরের দিকে পদের সংখ্যা কম। একারণে পদোন্নতিতে সমস্যা হয়। এছাড়া গত বছর ৫টি গ্রেড-১ পদ সৃষ্টি করা হলেও মাত্র দুটি পদ স্থায়ী করা হয়েছে। বাকি ৩টি গ্রেড-১ পদ দেওয়া হয়েছে ব্যক্তিগতভাবে।

সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আমেনা বেগম প্রধানমন্ত্রীর কাছে তার প্রস্তাবনায় বলেন, পুলিশ বাহিনীতে বর্তমানে নারী সদস্যের সংখ্যা ১৫ হাজার। এই সংখ্যা বাড়িয়ে ৩০ হাজারে উন্নীত করার আবেদন জানান তিনি। এছাড়াও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পুলিশ প্রশিক্ষণ কমপ্লেক্সের দ্রুত বাস্তবায়ন করে আন্তর্জাতিক মানের করার প্রস্তাব দেন তিনি। এছাড়া নারী পুলিশের আলাদা দু’টি পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (পিটিসি) করারও দাবি জানান এই নারী কর্মকর্তা। ট্রেনিং সেন্টার করার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রধানমন্ত্রী সম্মতি প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা প্রস্তাবে সোমবারের বৈঠকে ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ বিভিন্ন দেশের বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোতে পুলিশ কর্মকর্তা নিয়োগের বিষয়টি উত্থাপন করেন। এছাড়াও দুর্নীতি দমন কমিশন, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর, বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) ও বিআইডব্লিউটিএতে পদায়নের দাবিও তোলে তিনি।

এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিআরটিএ, বিআইডব্লিউটিএ এবং মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরে পুলিশ সদস্যদের প্রতিনিধি থাকা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সরকার উদ্যোগ নেবে। এরইমধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পুলিশ সদস্যদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের গ্রেফতারের কোনও এখতিয়ার নাই। গ্রেফতারের জন্য তাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদেরই বলতে হবে। তারা নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু তারা ধরে রেখে ওখানে হাজতখানা বানাবে, হাজতে রাখবে এটা কিন্তু দুর্নীতি দমন কমিশনের কাজ নয়। তিনি বলেন, যার যার কাজ তার তার করতে হবে।
 

ইউনিট কমান্ডারদের জন্য আলাদা আবাসনের দাবি তোলেন খুলনা মহানগর কমিশনার লুৎফুল কবির। এছাড়াও প্রশাসনের অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদের মতো পুলিশ কর্মকর্তাদের জন্য সুদমুক্ত কার লোনেরও দাবি জানান তিনি। জবাবে প্রধানমন্ত্রী তাদের জানান, বিষয়গুলো পর্যালোচনা ও বিবেচনা করা হবে। এছাড়া পুলিশ সদস্যদের জন্য পৃথক মেডিক্যাল ইউনিট গঠনের প্রয়োজনীয়তাও উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুলিশে কিন্তু মেধাবীরাই আসে। ব্যারিস্টার, ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ারও আসে। কিন্তু আমি মনে করি পুলিশের জন্য একটি পৃথক মেডিক্যাল ইউনিট গঠন করা প্রয়োজন। কাজেই আপনারা যদি আলাদা একটা ইউনিট করে ফেলেন ডাক্তারদের জন্য, তাহলে আপনাদের চিকিৎসারই একটা সুবিধা হবে। এই পৃথক ইউনিটের দাবি কিন্তু আপনারা করেননি, আমি আপনাদের পক্ষ থেকেই দাবিটা করলাম।

পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শিল্পাঞ্চল পুলিশসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিট করায় পুলিশ কর্মকর্তাদের পদায়ন এবং পদোন্নতির সুযোগ বেড়েছে। আমরা ১০০ শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলছি। কাজেই আমাদের শিল্প পুলিশকে আরও শক্তিশালী করতে হবে এবং এসব জায়গায় নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিতে হবে। বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন এবং আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীও বৈঠকে বক্তব্য রাখেন।





© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৮
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ই মেইল: [email protected], [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন
কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};