ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
817
সংস্কার কাজ চলছে কচ্ছপ গতিতে,দুর্ভোগে জনজীবন
Published : Saturday, 1 February, 2020 at 12:00 AM, Update: 01.02.2020 1:57:46 AM
সংস্কার কাজ চলছে কচ্ছপ গতিতে,দুর্ভোগে জনজীবনএবিএম আতিকুর রহমান বাশার ||
দুর্ভাগের অপর নাম-‘মরণফাঁদ খ্যাত ‘কুমিল্লা- সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক।’ দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের সাথে যোগাযোগর একমাত্র মাধ্যম এ সড়কের সংস্কার কাজ চলছে কচ্ছপ গতিতে। যানজটের স্থবিরতায় চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন রোগী বহনকারী এ্যাম্ব্যুল্যান্স, অফিস, স্কুল- কলেজ ও জরুরী কাজে গমনকারী নারী-শিশু-বৃদ্ধ যাত্রী সহ মালবাহী পরিবহনগুলো।
গন্তব্যে পৌঁছার অনিশ্চয়তার শংকা নিয়ে রাত- দিন যাত্রী ও মাল পরিবহনগুলো ঘন্টার পর ঘন্টা সড়কেই কাটাতে হচ্ছে। সড়কের চরবাকর থেকে কোম্পানীগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৮কিলোমিটার এলাকা জুড়ে দু’পাশে কখনো কখনো ৭/৮ঘন্টা স্থায়ী জ্যামে শত শত পরিবহন আটকে থাকতে দেখা যাচ্ছে।  
গতবছরের জুন মাসে ২০১৯-২০২০ইং অর্থবছরে ‘কুমিল্লা- সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক’র কুমিল্লা ময়নামতি ক্যান্টনম্যানট থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার অংশ পর্যন্ত ৪০কিলোমিটার সড়ক সংস্কার কাজের দরপত্র আহবান করা হয়। উক্ত দরপত্রে ‘হাসান টেকনো বিল্ডার্স’ ও ‘মেসার্স সোহাগ এন্টার প্রাইজ’ ২৩কোটি টাকার প্রাক্কলন ব্যায় হিসেবে কাজটি পান। দরপত্রে কাজটি সম্পন্ন করায় ২০১৯ সালের ৯ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ৮সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯মাস সময় সীমা বেঁধে দেয়া হয়। নির্ধারিত সময় সীমা’র মধ্যে সংস্কার কাজ শেষ করার কথা থাকলেও কবে নাগাদ তা শেষ হবে তার সঠিক কোন দিনক্ষণ জানতে পারছেন না ভোক্তভূগীরা। সড়ক নির্মাণকালে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের নাম, পকল্পের কাজের ধরন, প্রাক্কলন ব্যায় কত, কার্যাদেশ কবে পেয়েছে, কবে নাগাদ শেষ হবে ? তার বিস্তারিত তথ্যসমআলিত একটি সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে রাখার কথা থাকলেও তা করা হয়নি। এ ব্যাপারে সেল ফোনে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধীকাদের সাথে যোগাযেগ করার চেষ্টা করেও তাদের সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।সংস্কার কাজ চলছে কচ্ছপ গতিতে,দুর্ভোগে জনজীবনতবে সড়ক ও জনপদ বিভাগ কুমিল্লা’র নির্বাহী প্রকৌশলী ড. মোহাম্মদ আহাদ উল্লাহ জানান, জনদূর্ভোগ বিবেচনা মাথায় রেখেই সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বলেছি ৩মাসের মধ্যে সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার সহ আমরা বৈঠকে বসেছিলাম। ওই বৈঠকে সর্বোচ্চ দ্রুতার সাথে কাজ সম্পন্ন করার বিষয়ে বিশেষ করে দেবীদ্বার নিউমার্কেট এলাকার ১হাজার ১শত মিটার সড়ক ঢালাইয়ের কাজটি ৩মাসের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছি। বিকল্প সড়ক থাকলে এক মাসের মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করা সম্ভব ছিল। বিকল্প সড়ক না থাকায় বর্তমানে এক পাশের ১২ফুট সড়ক সম্পন্ন করা হবে, অপর পাশের কাজ শুরু করার সময় ওই পাশের সড়কের অংশ উন্মোক্ত করে দেয়া হবে। এ সাময়িক সময়ের দূর্ভোগটা মেনে নিতে হবে। আগামী দু’বছরের মধ্যেই সড়কটি ফোরলেইন থেকে সিক্স লেইনে উন্নিত করা হবে। দেবীদ্বার অংশের নিউমার্কেট এলাকার প্রায় ৫০মিটার সড়কের প্রসস্থ মাত্র ২০-২৪ফুট, তার উপর জেলা পরিষদের জায়গায় সড়ক ঘেষে মার্কেট নির্মাণ করা হচ্ছে, ফোরলেই করা হবে কি ভাবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রয়োজনে জেলা পরিষদের মার্কেটই নয়, বহুতল ভবনও ভাঙ্গা হবে। তিনি বলেন, সড়কের দেবীদ্বার অংশের নিউমার্কেট স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স থেকে সাবরেজিষ্টার অফিস পর্যন্ত সড়কটি সরু হলেও দু’পাশের জায়গা অধিগ্রহনপূর্বক সড়কটি সংস্কার করা হবে। এর আগে সড়কের দু’পাশের বেদখলকৃত জায়গা ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।
বড়আলমপুর গ্রামের বিশিষ্ট ঠিকাদার হাজী নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, কুমিল্লা ময়নামতি থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল পর্যন্ত সড়কের বেহালদশা নতুন নয়, এ দূরাবস্থা যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। সড়কের বিভিন্ন জায়গায় পিচ্ উঠা, দেবে যাওয়া, খানাখন্দ, ভাঙ্গাচুড়া, গর্তের কারনে শুধু যানজটই নয়, প্রায়ই সড়ক দূর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে ‘কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক’র বুড়িচং উপজেলার ‘কংশনগর বাজার’, দেবীদ্বার সদর এলাকার বানিয়াপাড়া মাটিয়া মসজিদ থেকে নিউমার্কেট দৈনিক কাঁচা বাজার, হাসপাতাল গেইট ও থানা গেইট হয়ে জোবেদা খাতুন মহিলা কলেজ’ পর্যন্ত এবং মুরাদনগর উপজেলার ‘কোম্পানীগঞ্জ বাজার’ এলাকায় নিত্যদিনের যানজট রুটিনে পরিনত হয়ে আছে। এসব এলাকায় সড়ক ও জনপদের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা, দৈনিক বাজার, হকার এবং পৌরসভার ইজারায় সিএনজি চালিত অটোরিক্সা ষ্ট্যাশন, ব্যটারী চালিত অটোরিক্সা, মাইক্রোবাস, ট্রাক্টর’র দখলে থাকায় যানজট থাকে ঘন্টার পর ঘন্টা।
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি দেবীদ্বার উপজেলা সভাপতি আব্দুল ওয়াদুধ বলেন, মাঝে মাঝে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন সহ ভোক্তভূগী জনগন সড়ক সংস্কার ও যানজট নিরসন, সড়কের উপর থেকে সিএনজি ষ্ট্যাশন, কাঁচা বাজার, অবৈধ স্থাপনা, হকার  উচ্ছেদ, পয়নিষ্কাশনে এবং যানজট এরিয়ে পথচারীদের নিরাপদ চলাচলে ‘আজগর আলী মূন্সী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’ থেকে ‘জোবেদা খাতুন মহিলা কলেজ’ পর্যন্ত সড়কের দু’পাশে আরসিসি ড্রেন নির্মান ও ড্রেনের উপর দিয়ে ফুটপাত নির্মান, নিউমার্কেট মুক্তিযুদ্ধ চত্তর’র নিকট একটি ফুট ওভার ব্রীজ নির্মান সহ নানা দাবীতে সড়ক অরোধ, মানবন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ এবং প্রশাসনের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করে আসলেও সড়ক ও জনপদ বিভাগ এবং স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে সংস্কার এবং নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের উদ্যোগে মোবাইল টিম কর্তৃক উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করতে দেখা যায়। যার স্থায়ীত্ব সাময়িক সময়ের জন্য, কিছুদিন না যেতেই অবৈধ স্থাপনাগুলো যেমন পূর্বের অবস্থানে দাড়িয়ে যায় তেমনি নি¤œমানের নির্মান সামগ্রী দিয়ে অপরিকল্পিতভাবে সংস্কার করা সড়ক পূর্বের চেহারায় চলে আসে।
ন্যাশনাল সার্ভে এন্ড ডিজাইন কনসালটেন্ট’র পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মাহবুব মোরশেদ ভূঁইয়া বলেন, বিকল্প সড়ক তৈরী, সড়কের দু’পাশের জায়গা উদ্ধার এবং সড়কের উপর থেকে বৈদ্যুতিক খুটিগুলো না সরিয়ে সড়ক সংস্কারের কাজ ধরা ঠিক হয়নি। এদিকে জোবেদা খাতুন মহিলা কলেজ থেকে আজগর আলী মূন্সী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় এক কিলো মিটার সড়কে যানজট সীমাহীন দূর্ভোগের, যা সময়ে চরবাকর থেকে কোম্পানীগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৭/৮ কিলো মিটার যানজটের কবলে থাকে। এটা সওজ কর্মকর্তা স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের অদক্ষতারই প্রমান। অপরিকল্পিতভাবে কাজের জন্য দায়সারা কাজকরাটাই তাদের মূখ্য উদ্দেশ্য মনে হচ্ছে। পৌর এলাকার বানিয়াপাড়া থেকে বারেরা, ছোট আলুমপুর হয়ে মহিলা কলেজ রোডটি মহাসড়কে সংযোগের ব্যবস্থায় একটু সংস্কার করে সিএনজি, অটোরিক্সা, মাইক্রোবাস, ট্রাক্টর এবং রিক্সা চলাচলে উন্মুক্ত করেদিলে এবং কোম্পানীগঞ্জ গোমতী নদীর ব্রীজ থেকে গোতীনদীর ভেরী বাঁধের উপর পাকা সড়কটির দু’পাশ সংস্কার করে লক্ষিপুর গোমতী ব্রীজ হয়ে মূল সড়কে সংযোগ করে দিলে যাত্রীবাহী বাসগুলো যাতায়তের সুযোগ হতো। আর মূল সড়কে চট্টগ্রাম বন্দরসহ বাখরাবাদ, গোপালনগর, বাঙ্গরা, তিতাস, হবিগঞ্জ প্রভৃতি গ্যাস ফিল্ডের সঙ্গে এবং আখাউড়া বন্দরের সাথে যোগাযোগে বড় বড় ট্রলি, রড ও মেসিনারিজ মালামাল বহনকারী পরিবহনগুলো নির্ভিগ্নে যাতায়তের সুযোগ হত।
চট্রগ্রামের ট্রলি চালক আলী হোসেন বলেন, এ সড়কটি দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বিশেষ করে দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের মানুদের একমাত যোগাযোগ মাধ্যম। চট্টগ্রাম বন্দরসহ বাখরাবাদ, গোপালনগর, বাঙ্গরা, তিতাস, হবিগঞ্জ প্রভৃতি গ্যাস ফিল্ডের সঙ্গে এবং আখাউড়া বন্দরের সাথে যোগাযোগে সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ক্রমবর্ধমান ভারী যানবাহনের চাপে সড়কটির বিভিন্ন অংশে খানাখন্দের সৃষ্টি, দেবে যাওয়ার যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী ও বিপদসঙ্কুল হয়ে ওঠেছে। আমাদেরতো দূর্ভোগের অন্ত নেই, সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন।
দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসা সড়ক দূর্ঘটনায় আহত এক রোগীর স্বজন আহম্মেদ হোসাইন জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে সিএনজি ষ্ট্যাশন থাকায় হাসপাতালের গেইট পার হয়ে ইমার্জেন্সী রোমে যেতেই প্রায় ১৫মিনিট পার হয়েগেছে, রোগীর রক্তঝরা দেখেও কোন সিএনজি চালক গেই থেকে সরে আমাদের ভেতরে যাওয়ার মানবিক চিন্তাটাও করলনা। প্রাথমিক চিকিৎসায় রক্তক্ষরণ বন্ধ করে এ্যাম্বুলেন্স যোগে কুমেক হাসপাতলে যেতে নিউমার্কেট এলাকার পার হতেই প্রায় ১ঘন্টা ৫৫মিনিট লেগেছে। রোগীকে দেখেছি তখন খুবই মূমূর্ষ অবস্থায়।
মুরাদনগর উপজেলার সুমন আহমেদ নামে এক যাত্রী জানালেন, কুমিল্লায় একটি প্রাইভেট স্কুলে ইন্টারভিউ দেয়ার জন্য ভোরেই বাড়ি থেকে রওয়ানা দেন। কোম্পানীগঞ্জ বাসে উঠে একঘন্টা বসে থেকে বাস থেকে নেমে ৩কিলো মিঃ সড়ক পায়ে হেটে দেবীদ্বার আসেন। ইন্টারভিউ ১০টায় হলেও এখনই বাজে সাড়ে নয়টা।
গত ২০জানুয়ারী আকসেল খুদ নামে একজন অষ্টেলিয়ান নাগরিক দেবীদ্বার এলাকায় পায়ে হেটে যাওয়ার পথে সাংবাদিক দেখে তিনি তার পরিচয় দিয়ে বলেন, আমি অষ্ট্রেলিয়া থেকে কয়েক সপ্তাহ আগে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং সেবামূলক কাজ করতে বাংলাদেশে এসেছি। এদেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, দরিদ্র মানুষের জীবনচক্র নিয়ে গবেষনা এবং অগ্রগতির পথ খুঁজতে এসেছি। গত কয়েক সপ্তাহে ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন এলাকা ঘূরে ট্রাফিক জ্যাম, ঘন পপুলেশন, বেকারত্ব, অনিয়ম- দূর্নীতি, দূষণ পরিবেশ দেখে আমি হতাশ হয়েছি। এসব অবস্থার উন্নয়ন করতে না পারলে এদেশ এগুতে পারবেনা। এদেশের কর্মজীবী মানুষ ট্রাফিক জ্যামের কারনে সময়ের সদব্যবহার করতে পারছেনা। শিক্ষিত লোকদের মানসম্পন্ন এবং মানবিক শিক্ষার অভাবও রয়েছে।
এব্যপারে দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিব হাসান ক্ষোভের সাথে বলেন, যদিও সড়কটি ‘সড়ক ও জনপদ বিভাগ নিয়ন্ত্রন করেন। জনদূর্ভোগের বিষয় বিবেচনা করে সংশ্লিষ্টদের সাথে যোগাযোগ করে সংস্কার কাজটি দ্রুত শেষ করার অনুরোধ জানাই, কিন্ত আমার এ অনুরোধ যেন তাদের কর্ণগোচরই হচ্ছেনা। মনে হল কাজটি দ্রুত সম্পাদনে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের কোন আগ্রহই নেই।



 





© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৮
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ই মেইল: [email protected], [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন
কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};