ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
337
এনসিটিবির পাঠ্যপুস্তক সংরক্ষণ
Published : Tuesday, 11 February, 2020 at 12:00 AM
এনসিটিবির পাঠ্যপুস্তক সংরক্ষণপ্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে সরকারের বিনা মূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের বিষয়টি সারাদেশে তুমুল জনপ্রিয় হয়েছে। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ইংরেজি বর্ষের শুরুতে একই দিনে নূতন পাঠ্যপুস্তক লাভ করায় তাদের আনন্দের আর সীমা থাকে না। কয়েক বছর ধরে এভাবে আমাদের দেশে পালন করা হচ্ছে পাঠ্যপুস্তক উৎসব। নূতন বছরে নূতন পাঠ্যপুস্তকের গন্ধে শিক্ষার্থীরা এই সময় থাকে মাতোয়ারা। এটা তাদের শিক্ষাজীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে নিঃসন্দেহে। কিন্তু নূতন পাঠ্যপুস্তক সংরক্ষণ নিয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বা এনসিটিবি একধরনের সংকেট রয়েছে। বর্তমানে প্রথম শ্রেণি হতে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৪ কোটি ৩০ লক্ষ শিক্ষার্থীর জন্য প্রায় ৩৬ কোটি পাঠ্যপুস্তক ছাপা হচ্ছে। এ বিপুল পাঠ্যপুস্তক কয়েক মাস রাখার জন্য এনসিটিবির পর্যাপ্ত জায়গা বা নিজস্ব সংরক্ষণাগার নেই। সাধারণত বিতরণের এলাকাগুলোর বই স্থানীয় দুই-একটি স্কুলে রাখা হয়। সেখান হতে নির্দিষ্ট স্কুলে স্কুলে বিতরণ করা হয়। কিন্তু জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের স্কুলগুলো এখন নিজেদের প্রয়োজনীয় বই ছাড়া পার্শ্ববর্তী স্কুলের বই সংরক্ষণ করতে চায় না। প্রতি বছর বিনা মূল্যের পাঠ্যপুস্তকের চাহিদা বাড়ছে, বাড়ছে ছাপার পরিধিও। কিন্তু পাঠ্যপুস্তক সংরক্ষণের সংকট দূর হচ্ছে না।
জানা যায়, প্রতি বছর আগস্ট হতে ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন উপজেলায় পাঠ্যবই সংরক্ষণ করতে হয়। কিন্তু কোনো স্কুলই ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহের আগে বই নিতে চায় না। তাহলে মুদ্রণকৃত বই এতদিন কোথায় রাখা হবে? জেলা ও উপজেলার সরকারি হাইস্কুল এখন আর এ ব্যাপারে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। আবার বর্তমানে এনসিটিবির ঢাকার তেজগাঁও ও টঙ্গীতে দুটি নিজস্ব গুদামে বই মুদ্রণের কাগজ রাখা হচ্ছে। সেখানে বই রাখার জায়গা নেই। দেখা যায়, প্রতিবারই ৩ থেকে ৫ শতাংশ বই বেশি ছাপা হচ্ছে। প্রাথমিক স্তরের জন্য বাফার স্টকের (আপৎকালীন মজুত) জন্য ৪-৫ শতাংশ বই বেশি ছাপা হচ্ছে। এ বাড়তি বই সংরক্ষণের সংকটও প্রকট। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, অনেক স্কুল কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়িয়ে দেখার কারণে সব মিলিয়ে প্রতি বছর প্রায় ৫০ হতে ৬০ লক্ষ কপি বই অব্যবহৃত থাকে। দীর্ঘ সময় ধরে স্কুলগুলো এ বই আর সংরক্ষণ করতে চায় না। আবার আগাম বই না ছাপলেও বিপদ আছে। মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কারসাজি করে এনসিটিবিকে বেকায়দায় ফেলে দিতে পারে। এতে একই দিনে একই সঙ্গে বই উৎসব পালন করা এবং সারাদেশে সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করাও অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে। বই মুদ্রণের গুণমান ধরে রাখাও হতে পারে কঠিন।
সারাদেশে প্রায় সাড়ে তিন শত সরকারি হাইস্কুল রয়েছে। এসব স্কুলে পাঠ্যপুস্তক সংরক্ষণের পরিধি বাড়ানো দরকার। এটা ছাড়া এনসিটিবি এ সমস্যা সমাধানের জন্য ২০০৯-১০ সালে প্রতি উপজেলায় একটি করে গুদাম তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিল। এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন না হওয়ায় এই সংকটের অবসান হচ্ছে না। আমরা মনে করি, প্রতি উপজেলায় এনসিটিবির নিজস্ব গুদাম গড়ে তোলার প্রতি অধিক গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন। তারপরও বাড়তি বই থাকলে তা সরকারি স্কুলগুলোতে রাখার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। বিষয়টির প্রতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করি আমরা।







© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৮
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ই মেইল: [email protected], [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন
কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};