ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
477
নাঙ্গলকোটে সেফটিক ট্যাঙ্কি থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
Published : Sunday, 31 May, 2020 at 12:05 AM, Update: 31.05.2020 12:24:03 AM

নাঙ্গলকোটে সেফটিক ট্যাঙ্কি থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধারবারী উদ্দিন আহমেদ বাবর॥
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে নিখোঁজের চারদিন পর সেফটিক ট্যাঙ্কি থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম মো. জিয়াউল হক (৩০)। সে উপজেলার দক্ষিণ শাকতলী গ্রামের আবদুল মুন্সি বাড়ীর হুমায়ন কবিরের ছেলে। গতকাল শনিবার রাত ১০টায় নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। আজ রোববার সকালে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে নাঙ্গলকোট থানার ওসি বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত জিয়া ও তার আপন চাচা বাছির উদ্দিন মধ্যপ্রাচ্যের দেশ বাহরাইনে একইসঙ্গে থাকতেন। প্রায় দুই বছর পূর্বে প্রবাস জীবন শেষ করে বাড়ীতে এসে চাচা বাছির উদ্দিনের স্ত্রী মোর্শেদা বেগমের সাথে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে জিয়াউল হক। এরইমধ্যে গত ফেব্রুয়ারী মাসে ছুটিতে বাড়ী আসেন চাচা বাছির উদ্দিন। চাচা বাড়ীতে আসার পরও পরকীয়া আসক্তি কমাতে না পেরে চাচীর উপর জবরদস্তি করতে থাকেন জিয়া। একপর্যায়ে বিরক্ত হয়ে জিয়াউল হককে খুনের সিদ্ধান্ত নেয় চাচী মোর্শেদা বেগম। সে আলোকে ঈদের পরদিন বুধবার সন্ধ্যায় জিয়াকে নিজ বাড়ীতে ডেকে নেয় চাচী। পরে মোর্শেদার শয়নকক্ষে রাত ১১টার সময় জিয়ার অন্ডকোষ চেপে ধরে ও গলায় উড়না পেঁিছয়ে হত্যা করে স্বামী বাছিরের সহযোগিতায় সেপটিক ট্যাংকে লাশ গুম করে রাখে।
সূত্রে আরও জানা গেছে, গত বুধবার সন্ধ্যা থেকে নিখোঁজ হয় জিয়াউল হক। আত্মীয় স্বজনের বাড়ীসহ বিভিন্নস্থানে অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাকে না পেয়ে শুক্রবার নাঙ্গলকোট থানায় একটি নিখোঁজ ডাইরী রুজু করা হয়। ওই জিডির সূত্র ধরে থানা পুলিশ অনুসন্ধান করে নিখোঁজ জিয়াউল হককে হত্যা করার বিষয়টি টের পেয়ে চাচী মোর্শেদা বেগমকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জিয়াকে খুনের কথা স্বীকার করে। তার দেখানো মতে একটি পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংকি থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মোর্শেদা বেগমকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হলেও তাঁর স্বামী বাছির পলাতক রয়েছে।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে নিখোঁজ জিয়াউল হকের সন্ধান চেয়ে থানায় একটি জিডি এন্ট্রি করেন। ওই জিডির সূত্র ধরে অনুসন্ধানে জানতে পারি জিয়ার আপন চাচী মোর্শেদার সাথে তার পরকীয়া প্রেম ছিল এবং এর জের ধরে জিয়াকে হত্যা করা হয়। পরে স্বামী বাছিরকে সাথে নিয়ে একটি পরিত্যক্ত সেফটিক ট্যাংকিতে তার লাশ গুম করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জিয়াকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছে মোর্শেদা বেগম। মরদেহ উদ্ধার করে থানায় রাখা হয়েছে। রোববার সকালে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। এদিকে আটক মোর্শেদা বেগমকে হেফাজতে নেয়া হয়েছে।





© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৮
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ই মেইল: [email protected], [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন
কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};