ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
345
বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন রেজার মৃত্যুবার্ষিকী আজ
Published : Friday, 24 July, 2020 at 12:00 AM, Update: 24.07.2020 12:30:49 AM
বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন রেজার মৃত্যুবার্ষিকী আজনিজস্ব প্রতিবেদক: মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের উজ্জ্বল নক্ষত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল আহমেদ রেজার (ক্যাপ্টেন রেজা) মৃত্যুবার্ষিকী আজ। তিনি ২০১৯ সালের ২৪ জুলাই আল বারাকাহ হাসপাতালে শেষ নিশ^াস ত্যাগ করেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে ২নং সেক্টর গঠন প্রক্রিয়ার অন্যতম নায়ক ছিলেন তিনি। স্বাধীনতা যুদ্ধকালে ক্যাপ্টেন রেজা নামে তিনি সমধিক পরিচিত ও জনপ্রিয় ছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই মেয়ে, ছেলে, ভাই, বোন, অসংখ্য আত্মীয়-স্বজনসহ বিপুল সংখ্যক মুক্তিযোদ্ধা শুভাকাক্সক্ষী রেখে গেছেন। প্রসঙ্গত, তিনি ছিলেন জেলা কমান্ডার সফিউল আহমেদ বাবুলের বড় ভাই।
উল্লেখ্য, দেশ স্বাধীনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন রেজার ভূমিকা ছিলো অন্যতম। ক্যাপ্টেন রেজা নামেই তিনি পরিচিত। মুক্তিযুদ্ধের সময় রেখেছেন স্মরণীয় অবদান। নেতৃত্ব দিয়েছেন কুমিল্লার ঐতিহাসিক বিবির বাজার যুদ্ধে। যে যুদ্ধে রচিত হয়েছে কুমিল্লার বীরত্বগাঁথা। অসীম সাহসিকতার সাথে লড়েছেন কুমিল্লার মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানিবাহিনীর ২ শতাধিক সৈনিক নিহত হয়েছিল সে দিন। মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে নিহত হয়েছিল ৬ জন। বিজয় অর্জিত হওয়ার পর এই শহীদদের মধ্যে একজন বীর বিক্রম ও একজন বীর প্রতীক উপাধি পেয়েছিলেন। বিবির বাজার যুদ্ধ: ৯ মে কুমিল্লার বিবিরবাজারের গাজীর আইলের পূর্বপাশের্^ মুক্তিবাহিনী ও পশ্চিম পাশের্^ পাকবাহিনীর মধ্যে ১০০ গজের ব্যবধানে সম্মুখ যুদ্ধ হয়। সকালে এক দল পাকবাহিনী বোরকা পরিহিত মহিলার ছদ্মবেশে মুক্তিযোদ্ধাদের ঘেরাও করে অতর্কিত আক্রমণ চালায়। মুক্তিযোদ্ধারা গেরিলা কায়দায় তা মোকাবেলা করে। মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন রেজা ক্যাপ্টেন মাহবুবের সঙ্গে পরামর্শ করে কোম্পানি কমা-ার সিরাজুল ইসলাম, মেজর রাজ্জাক ও ছাত্র রফিক, কৌশলে গাজীর আইলের পশ্চিম পাশের্^ বৌয়াবাজারের উত্তর দিকে পাকবাহিনী যেখানে অবস্থান নিয়েছিল তার পেছনে যায়। মুক্তিযোদ্ধারা একটি চাইনিজ এলএমজি ও একটি চাইনিজ ষ্টেনগান দিয়ে পাকবাহিনীকে লক্ষ্য করে পিছন থেকে গুলি করে। সামনে থেকে গুলি ছুঁড়ছিল অপর এক দল মুক্তিযোদ্ধা। দু’দিক থেকে গুলি আসায় পাকবাহিনী বেসামাল হয়ে পড়ে। কিন্তু পাকদের বিশাল সৈন্যবাহিনী ও বিপুল অস্ত্রশস্ত্র থাকায় মুক্তিযোদ্ধারা বেশিক্ষণ এক জায়গায় অবস্থান নিতে পারেনি। দুপুরের দিকে সিরাজুল ইসলাম, রাজ্জাক, রফিক ডিফেন্সে ফিরে আসে। কিন্তু অপর মুক্তিযোদ্ধারা তাদের ডিফেন্স ছেড়ে গেছেন গুলি শেষ হওয়ায়। ইপিআর হাবিলদার জুম্মা মিয়া তখনও মেশিনগান চালাচ্ছেন। জুম্মা মিয়ার গুলি প্রায় শেষ হয়ে আসে। তার মেশিন গানের সামনে দিয়ে পাকিবাহিনীর এডভান্স হচ্ছে। জুম্মা মিয়া উন্মাদের মতো হয়ে যান। তাকে ফায়ার বন্ধ করার নিদের্শ দিলেও তিনি ফায়ার বন্ধ না করে বাংকারে উপর থেকে ফায়ার করতে থাকেন। এক সময় শত্রু পক্ষের এক ঝাঁক গুলি এসে লাগে জুম্মা মিয়ার মাথায় এবং তিনি শহীদ হন। এমনি ভাবে শহীদ হন আরো ছয়জন মুক্তিযোদ্ধা। হাবিলদার জুম্মা মিয়া বীর বিক্রম উপাধী পেয়েছেন। এ যুদ্ধে শহীদদের মধ্য রয়েছেন আবদুল কাদের মোল্লা বীর প্রতিক, মেডিক্যালের ছাত্র ইমতিয়াজ আহমেদ প্রমুখ। এ যুদ্ধে বিবিরবাজার এফএফ প্লাটুনের কমা-ার ক্যাপ্টেন সিরাজুল ইসলাম, শফিউল আহমেদ বাবুলসহ অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধা অংশ নেন।









সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৮
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ই মেইল: [email protected], [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন
কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};