ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
91
ধর্ষণ থামাতে আইনের কঠোর প্রয়োগ জর”রি
Published : Friday, 16 October, 2020 at 12:00 AM
ধর্ষণ থামাতে আইনের কঠোর প্রয়োগ জর”রিকরোনা মহামারিকালেও থেমে নেই পাশবিক ধর্ষণ ও ধর্ষণচেষ্টা। নরপশুদের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না শিক্ষার্থী, গৃহবধূ, কর্মজীবী নারী, এমনকি শিশুরাও। গত মঙ্গলবার ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদ-ের বিধান যুক্ত করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর সংশোধনী অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হয়েছে। এর আগে সোমবার আইন সংশোধনের প্রস্তাব মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন করা হয়। জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলমান না থাকায় সংশোধিত আইন অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এসিড-সন্ত্রাসের মতো ধর্ষণ নামের পাশবিকতা নিয়ন্ত্রণেই তাঁর সরকার আইন সংশোধন করে ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদ-ের বিধান করেছে।
সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে নববধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ এবং নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনায় দেশজুড়ে ধর্ষণ ও নির্যাতনের বির”দ্ধে তীব্র প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। কিন্তু দেশজুড়ে প্রতিবাদ-বিক্ষোভের মধ্যে কঠোর আইন পাসের পরও ধর্ষণের ঘটনা থেমে নেই। কালের কণ্ঠে প্রকাশিত খবরে বলা হচ্ছে, ৯ জেলায় গত সোমবার চারজনকে এবং এর আগে বিভিন্ন সময় ছয়জনকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া তিন জেলায় তিনজনকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১২ জনকে। বছর তিনেক আগের এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এক দশকে দেশে পাঁচ হাজার ১১৭টি ধর্ষণের মামলা হলেও বিচার হয়েছে ৮৮১টির, সাজা হয়েছে মাত্র ১০১ জনের। প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপ, তদন্তের গাফিলতি, তথ্য-প্রমাণের অভাব, সাক্ষ্য প্রদানে অনীহাসহ নানাবিধ কারণে বেশির ভাগ অপরাধী খালাস পেয়ে যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এক শ্রেণির ধর্ষকের পারিবারিক, সামাজিক ও নৈতিক শিক্ষা থাকে না। আরেক শ্রেণি সচেতনভাবে, পরিকল্পিতভাবে ধর্ষণ করে। চিহ্নিত সন্ত্রাসী বা গ্যাং বেপরোয়া ধর্ষণ করে। তারা মনে করে, প্রভাবের কারণে কিছু হবে না। মাদকের আগ্রাসন ও রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় এদের বেপরোয়া করে তোলে। সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় তো আছেই, সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মাদকের আগ্রাসন। ইন্টারনেটের সহজলভ্যতায় পর্ন এসেছে হাতের মুঠোয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু আইন করে ধর্ষণ বন্ধ করা যাবে না। কারণ অনেক ক্ষেত্রে ধর্ষকও বেনিফিট অব ডাউট পেয়ে যায়। আগে আইনে যাবজ্জীবন ছিল; কিন্তু বিশেষজ্ঞ ও আইনবিদদের মতে, বিচারব্যবস্থার সবচেয়ে বড় গলদ রয়েছে তদন্ত আর প্রমাণে। পুলিশ তদন্ত না করেই প্রথমে মিথ্যা মামলা বলে দেয়, এমন অভিযোগও আছে। ঠিকমতো এজাহারটা না হলে ওই মামলা প্রমাণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। আরো অভিযোগ রয়েছে, ধর্ষিতার মেডিক্যাল পরীক্ষায়ও সময় নেয় পুলিশ। এতে আলামত নষ্ট হয়ে যায়। শুধু মৃত্যুদ-ের আইন হলেই হবে না, দ্র”ত বিধিমালা প্রণয়ন করে আইনের বিষয়গুলো স্পষ্ট করার পাশাপাশি প্রতিরোধমূলক সামাজিক ব্যবস্থা গড়তে হবে। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ নম্বর ধারার ৪ নম্বর উপধারা বাদ দিতে হবে। সংস্কার আনতে হবে প্রচলিত বিচারব্যবস্থায়। বেশির ভাগ ঘটনার সঙ্গেই ক্ষমতাসীন দল বা তার অঙ্গসংগঠনের লোকজন জড়িত থাকার অভিযোগও পাওয়া যাচ্ছে। অপরাধীদের অপরাধী বিবেচনা করে আইনের কঠোর প্রয়োগ এই অপরাধ দমনে কার্যকর হবে বলে আমরা মনে করি।








© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৮
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ই মেইল: [email protected], [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন
কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};