ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
3462
সুপার মার্কেট ভেঙ্গে কুমিল্লা টাউন হলের নতুন ভবন নির্মাণের দাবি এমপি সীমার
Published : Tuesday, 22 December, 2020 at 12:00 AM, Update: 22.12.2020 12:20:49 AM
সুপার মার্কেট ভেঙ্গে কুমিল্লা টাউন হলের নতুন ভবন নির্মাণের দাবি এমপি সীমারনিজস্ব প্রতিবেদক: কুমিল্লা টাউন হলের জায়গায় নির্মিত সুপার মার্কেট (বাহার মার্কেট) ভেঙ্গে কুমিল্লা টাউন হলের নতুন ভবন নির্মানের দাবি জানিয়েছেন নারী সংসদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগর আওয়ামীলীগের সহসভাপতি আঞ্জুম সুলতানা সীমা। তিনি বলেন, এতে ঐতিহ্যও রক্ষা হবে এবং উন্নয়নও হবে।
সীমা বলেন, একটি হাস্যকর গণশুনানী করেছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গঠিত কমিটি। যেখানে বক্তা ছিল নির্ধারিত। সরকারি কর্মচারিরা ছিলেন দর্শক হিসেবে বাধ্যতামূলক উপস্থিত। দোকান মালিক ও স্কুল কলেজের শিক্ষকদের মানববন্ধন করতে বাধ্য করা হয়েছে।
নারী সংসদ সদস্য আঞ্জুম সুলতানা সীমা সোমবার দুপুরে কুমিল্লা শহরের মডার্ণ প্রাইমারী স্কুলে সাংবাদিক সম্মেলনে এ সব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লার সিনিয়র সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
আঞ্জুম সুলতানা সীমা সাংবাদিকদের বলেন , কুমিল্লা টাউন হল নিয়ে গণশুনানি গণশুনাণির পরিবেশটা হচ্ছে মানুষ জন থাকবে। সেখানে হয়তো জিজ্ঞেস করা হবে, প্রশ্ন করা হবে। যারা পক্ষে থাকবেন তারা হাত নেড়ে সমর্থন জানাবেন, আর না থাকলেও মানা করবেন। কিন্তু এখানে তো সব কিছুতেই প্রত্যেকটা প্রতিষ্ঠান ও অফিস আদালতে কাগজ স্বাক্ষর করানো হয়েছে। কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন বলুন, স্কুল কলেজ বলুন- সব জায়গায় কাগজ দেয়া হয়েছে স্বাক্ষর করার জন্য। এর সব প্রমান আছে আমাদের কাছে। দোকানপাট ব্যবসায়িরা সবাই নিজেদের মতের বিরুদ্ধে রাস্তায় দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছেন।
সাংসদ সীমা দাবি করেন, গণশুনানির যিনি প্রধান ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব আবদুল মান্নান ইলিয়াস-তিনি ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিলেন। পরে গয়েশ্বরচন্দ্র রায়ের এপিএস ছিলেন। এটার প্রমান চাইলে মন্ত্রনালয় থেকে খবর নিলেও পাওয়া যাবে। নিজের স্বার্থ আর  বিএনপির উপকার ছাড়া কুমিল্লার সংসদ সদস্য হাজী আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার তো আসলে জনপ্রতিনিধি হিসেবে কুমিল্লার মানুষের জন্য কিছু করছেন না। উনি বিএনপির মানুষদের কুমিল্লাতে প্রতিষ্ঠিত করছেন আর নিজের স্বার্থের জন্য কুমিল্লার মানুষকে বাধ্য করছেন।
এমপি সীমা বলেন, কুমিল্লা টাউন হলের পশ্চিমে অনেক জায়গা আছে। যে জায়গায় মার্কেট টা সেটাওতো কুমিল্লা টাউন হলের জায়গা। এটা টাউন হলের সম্পদ, এটা বাইরের কিছু না। এটাকে ভেঙে এবং পশ্চিম পাশে যে জায়গা আছে এখানে অনেক কিছু করা যায়। ঐতিহ্যবাহী কুমিল্লা টাউন হলে তো ধরা লাগে না। এটাতো আবেগের জায়গা। কুমিল্লা ঐতিহ্যের চিহ্ন। সুপার মার্কেট ভেঙে নতুন করে প্ল্যান করে অনেক কিছু করা যায় উন্নয়ণের জন্য। এমপি বাহার শুধু মাত্র উনার ব্যবসায়িক স্বার্থে এটা করছেন। কুমিল্লা টাউন হলে যে ছোট ছোট দোকান পাট আছে সেগুলো থেকেও প্রতিনিয়ত টাকা তোলা হয়। টাউন হলের সাবেক সেক্রেটারি জাহাঙ্গীর সাহেব ও বর্তমান সেক্রেটারি হেলাল সাহেব এগুলো নিচ্ছেন।  
তিনি বলেন, এমপি বাহারের এখতিয়ারের বাইরে কেউ কখনো কেউ টাউন হলের কার্যকরী কমিটির সদস্য হতে পারে না। আমরা তো বাদ, অন্য কোন সাধারণ মানুষও টাউন হলের কার্যকরি কমিটিতে অংশ নিতে পারেনি। সাধারণ সদস্য হতে পারেন না। রাতে রাতে কমিটি সিলেকশন হয়, পরের দিন পত্রপত্রিকায় ছাপা প্রকাশ হয়ে যায়।
সাংবাদিকদের প্রশ্নে জবাবে এমপি সীমা বলেন, কুমিল্লাতে আরো ১১ জন এমপি আছেন। তারা আমার চাচা, মুরুব্বি-তাদের মতামত জানার চেষ্টা করছি। উনাদের সাথে আলাপ করে মতামত নিয়েই সামনে যাবো-এর বাইরে তো আমি যাবো না। কুমিল্লাবাসীর পক্ষে তো আমার মতামত আছেই, আমি আশা করি উনারা(সংসদ সদস্যগণ) কুমিল্লাবাসীর মতের বাইরে যাবেন না।
যথা সময়ে উচ্চ আদালতে রিট হবে উল্লেখ করে এমপি সীমা বলেন - যদি এরকম কোন পরিবেশ সৃষ্টি হয় তাহলে অবশ্যই কুমিল্লার মানুষ করতে রিট বাধ্য হবে। টাউন হল ভাঙার চেষ্টার করা হলে, কুমিল্লার ঐতিহ্য নষ্ট করার চেষ্টা করা হলে কুমিল্লার মানুষই তা রক্ষা করবে।
তিনি বলেন, কুমিল্লা টাউন হলে ১৯৯৫ সাল থেকে একই কমিটি, একই মানুষ- একই মানুষের অনুসারীর দখল করে রেখেছে। সভাপতি জেলা প্রশাসক সাহেব-কিন্তু উনি শুধু নামে মাত্র। বাইরের কেউ যদি সেখানে প্রোগ্রামও করতে চায় তাহলেও খোঁজ নেয়া হয় এমপি হাজী বাহারের অনুসারী কি না? আমি উন্নয়ণ চাই , কিন্তু পরবর্তী প্রজন্মের জন্য ঐতিহ্য ও রক্ষা চাই।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা মহানগর আওয়ামীলীগ নেতা পাপন পাল, শহর আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক খাদেম ফিরোজ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক আহ্বায়ক মোঃ শাহজাহান প্রমুখ।
সংস্কৃতি মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব আবদুল মান্নান ইলিয়াসের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ছাত্র জীবনে তিনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন। তিনি ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতি করতেন। ছাত্রদলের রাজনীতি তিনি কখনো করেন নি। তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ থাকলে সরকার নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নিতো।







© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৮
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ই মেইল: [email protected], [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন
কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};