ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
184
নো ভ্যাকসিন নো সার্ভিস আগে টিকার ব্যবস্থা করুন
Published : Friday, 3 December, 2021 at 12:00 AM
নো ভ্যাকসিন নো সার্ভিস আগে টিকার ব্যবস্থা করুনগত মঙ্গলবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে করোনার নতুন ধরন অমিক্রন নিয়ন্ত্রণে আয়োজিত বৈঠকে ‘নো ভ্যাকসিন, নো সার্ভিস’ কর্মসূচি নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ‘একটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে, আগে যেমন “নো মাস্ক, নো সার্ভিস” ছিল, এখন আমরা বলতে চাইছি “নো ভ্যাকসিন, নো সার্ভিস”। এটি করতে পারলে টিকার কার্যক্রম আরও বেগবান হবে।’
নীতিগতভাবে সরকারের এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে দ্বিমত করার কিছু নেই। কেননা, করোনার মতো ভয়ংকর মহামারি প্রতিরোধে এখন পর্যন্ত ভ্যাকসিন বা টিকার বিকল্প কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়নি। কিন্তু সমস্যা হলো ‘নো ভ্যাকসিন, নো সার্ভিস’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করার জন্য যে সামর্থ্য প্রয়োজন, তা আমাদের আছে কি না। করোনা সংক্রমণের শুরুতে সরকার ঘোষণা করেছিল, জনসংখ্যার ৮০ শতাংশকে টিকা কর্মসূচির আওতায় আনা হবে এবং সে জন্য অন্তত ২৬ কোটি ডোজ টিকা দিতে হবে। এই হিসাব করা হয়েছিল ১৮ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সী নাগরিকদের কথা মাথায় রেখে। পরবর্তীকালে সরকার ১৮ বছরের নিচের শিক্ষার্থীদেরও টিকার আওতায় এনেছে। সে ক্ষেত্রে টিকার প্রয়োজন হবে আরও অনেক বেশি।
মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এ পর্যন্ত ১০ কোটি ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে; যার মধ্যে ৬ কোটি পেয়েছেন প্রথম ডোজ এবং দুই ডোজ পেয়েছেন ৪ কোটি। দুই ডোজ টিকা পেয়েছেন এ রকম মানুষের সংখ্যা ২২ শতাংশের বেশি হবে না। কঠিন বাস্তবতা হলো পরিকল্পনা অনুযায়ী আমরা টিকা সংগ্রহ করতে পারিনি। উন্নত দেশ তো বটেই, দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যেও আমাদের অবস্থান নিচের দিকে। অনেক দেশ প্রতিশ্রুত টিকা সরবরাহ করেনি। ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে ৩ কোটি টিকা আমদানির চুক্তি হলেও তারা ৮০ লাখ ডোজের বেশি সরবরাহ করতে পারেনি।
তাই কর্মসূচি বা উদ্যোগ যত মহৎ হোক না কেন, সামর্থ্য না থাকলে কার্যকর করা যাবে না। নো মাস্ক, নো সার্ভিস কর্মসূচি তেমন ব্যয়সাপেক্ষ নয়। সহজেই এটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়েছে। টিকার বাস্তবতা ভিন্ন। দেশবাসী এখনো জানে না কবে কী পরিমাণ টিকা বিদেশ থেকে আসবে। বর্তমানে দৈনিক যে পরিমাণ টিকা দেওয়া হচ্ছে, তাতে আগামী এক বছরেও ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে না।
করোনার নতুন ধরন অমিক্রন ঠেকানোর প্রধান উপায় হলো সীমান্তে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ। বিশেষ করে যেসব দেশে করোনার নতুন ধরন চিহ্নিত হয়েছে, সেসব দেশ থেকে মানুষের গমনাগমন পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। যাঁরা ইতিমধ্যে দেশের ভেতরে ঢুকে পড়েছেন, তাঁদের খুঁজে বের করতে হবে। মন্ত্রী নিজেই বলেছেন, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে যাঁরা এসেছেন, তাঁদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না; এমনকি টেলিফোনও বন্ধ আছে। এসব নাগরিকের স্থায়ী ঠিকানা ও আইডি নম্বর সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগে থাকার কথা। অতএব, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহোদয় ‘নো ভ্যাকসিন, নো সার্ভিসে’র গল্প না শুনিয়ে আগত যাত্রীদের চিহ্নিত করুন। নিশ্চিত করুন সত্যি সত্যি তাঁদের কারও শরীরে অমিক্রনের সংক্রমণ ঘটেছে কি না। ‘নো ভ্যাকসিন, নো সার্ভিস’ কর্মসূচি চালুর আগে প্রয়োজনীয় টিকার ব্যবস্থা করুন। অন্যথায় এটি অবাস্তব ও হাস্যকর কর্মসূচিতে পরিণত হবে।





© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৮
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩
ই মেইল: [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন
কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};