ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
দেবীদ্বারে করোনা ভাইরাসের পজেটিভ কোন রোগি পাওয়া যায়নি
এবিএম আতিকুর রহমান বাশার ঃ
Published : Tuesday, 7 April, 2020 at 7:00 PM, Count : 266
দেবীদ্বারে করোনা ভাইরাসের পজেটিভ কোন রোগি পাওয়া যায়নি কুমিল্লার দেবীদ্বারে করোনা ভাইরাসের লক্ষণ জনিত সেই রোগি সুস্থ্য আছেন। তিনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত নন, শ^াস কষ্টের রোগিই ছিলেন। দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ওই মহিলা রোগি তাছলিমাকে সোমবার সকালে কুমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ওখানে শ^াস কষ্টের চিকিৎসা সেবা নিয়ে মঙ্গলবার বাড়িতে চলে আসেন।

গত সোমবার বিকেলে তাছলিমাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করার পর করোনা সন্দেহে অন্যান্য রোগি, চিকিৎসক ও নার্সদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অন্যান্য রোগিদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় ভর্তি রোগিদের অনেকেই হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যাওয়ার সংবাদ পাওয়া যায়। পরে অনেক রোগি ফিরে আসে বলে জানা যায়।

এ ব্যপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আহাম্মেদ কবির জানান, রোগিটি যেহেতু শ^াশকষ্টের রোগি, তার পরও সাধারণ রোগি ও ষ্টাফদের মধ্যে সন্দেহ দেখা দেয়, সে কারনে তার নমুনা সংগ্রহ পূর্বক আইইডিসিআর-এ প্রেরনের নির্দেশ দেই। একই সাথে ওই রোগীর সংস্পশের্^ থেকে চিকিৎসাদানকারী সকল চিকিৎসক ও নার্সদের আইইডিসিআর’র রিপোর্ট আসার পূর্ব পর্যন্ত দূরত্ব বজায় রেখে নিরাপদে থাকার নির্দেশ দেই। রিপোর্ট পজেটিভ হলে সবাইকে হোম কোয়ারাইন্টেনে থাকতে হবে, নেগেটিভ হলে কারোরই কোন সমস্যা থাকবেনা। আজ মঙ্গলবার খোঁজ নিয়ে জানতে পারি ওই রোগি শ^াশ কষ্টের রোগি ছিল। বর্তমানে সুস্থ্য আছেন। তিনি আরো জানান, হোম কোয়ারেন্টাইনে থেকে মুক্ত হওয়া কোন রোগিরই পজেটিভ পাওয়া যায়নি। এখনো যারা হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন তাদের পক্ষ থেকেও কোন কমপ্লেইন নেই। আশা করি আমরা দেবীদ্বার বাসী করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত থেকে মুক্ত থাকব।

জানা যায়, উপজেলার কামারচর গ্রামের মালুমিয়ার স্ত্রী তাছলিমা আক্তার(৩৫) গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়নের উঞ্জুটি গ্রামে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান। বাবার বাড়ির লোকজন তাছলিমার শ^াস কষ্ট দেখা দিলে পরিবার ও প্রতিবেশীরা তাকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সন্দেহে গ্রাম পুলিশকে খবর দেয়। গ্রাম পুলিশ খবর পেয়ে তাছলিমাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে নামিয়ে দিয়ে চলে যায়। পরে সে ইমার্জেন্সীতে গিয়ে তার শ^াসকষ্টের কথা বললে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ লিমা সাহা তাকে ক্যাবিন বরাদ্ধে ভর্তি করিয়ে দেন। নার্সরা যখন তার রোগের বিবরন শোনে করোনা সন্দেহে ডাঃ লিমা সাহার সাথে যোগাযোগ করে বলেন, এ রোগি কিভাবে ভর্তী করিয়েছেন। তখন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করেন। এ সংবাদে পুরো স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগি, চিকিৎসক ও নার্সদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। থানা পুলিশর এব্যাপারে অবগত নন বলে জানালে রোগগির স্বজনদের জিজ্ঞাসাবাদে তারা বলেন, গ্রাম পুলিশ ছিল, আমরা গ্রাম পুলিশকেই পুলিশ বলি।

এব্যপারে তাছলিমার স্বামী মনুমিয়া জানান, আমার স্ত্রী পূর্ব থেকেই এজ্মা রোগে আক্রান্ত, পিজি হাসপাতালেও তার চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছে। সে তার বাবার বাড়িতে বেড়াতে গেলে ওখানকার লোকজন করোনা সন্দেহে তাকে পুলিশ (গ্রাম পুলিশ) দিয়ে হাসপাতাল পাঠায়। পুলিশ (গ্রাম পুলিশ) হাসপাতাল গেইটে নামিয়ে দিয়ে চলে যায়। পরে দেবীদ্বার হাসপাতাল থেকে কুমিল্লা হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসি। এখন আগের চেয়ে অনেক সুস্থ্য।
 


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৮
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ই মেইল: [email protected], [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন
কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft