ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
জীবনবোধ ও জিবনদর্শন
Published : Thursday, 20 January, 2022 at 12:00 AM, Count : 434
জীবনবোধ ও জিবনদর্শনজুলফিকার নিউটন ।।

 মানুষের জীবন তার ভাষার সাথে অঙ্গীকারবদ্ধ। ভাষাকে গ্রহণ করেই মানুষ, মানুষের প্রকাশ, মানুষের অভিব্যক্তি, মানুষের অগ্রসরমানতা, মানুষের জীবনযাপন সব কিছুই কিন্তু তার ভাষাকে কেন্দ্র করে। অবশ্য সমগ্র পৃথিবীতে একই ভাষা বিদ্যমান নেই । বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন ভাষার উদ্গম হয়েছে, পারিপার্শ্বিকতার কারণে, আবহাওয়ার কারণে এবং একটা সীমাবদ্ধতার কারণে। সীমাবদ্ধতার ফলেই এক-একটি ভাষার প্রকাশ-রূপ এক এক রকম হয়ে থাকে। কিন্তু গুরুতরভাবে আমরা যদি পরীক্ষা করি এবং বিবেচনা করি তাহলে দেখতে পাই, মানুষের যে অভিব্যক্তিগুলো সে অভিব্যক্তি সর্বক্ষেত্রেই এক। বেদনার অভিব্যক্তি, আনন্দের অভিব্যক্তি, উল্লাসের অভিব্যক্তি, হতাশার অভিব্যক্তি যত রকম অভিব্যক্তি আছে সেই অভিব্যক্তিগুলো কিন্তু সব জায়গায় একই। কিন্তু অভিব্যক্তির ভাষার রূপ এক এক অঞ্চলে এক এক রকম। তাহলে আমার বক্তব্য যেটা সেটা হচ্ছে এই, মানুষ ভাষাকে গ্রহণ করেই বেঁচে থাকে, ভাষাকে গ্রহণ করেই তার উপলব্ধি, ভাষাকে গ্রহণ করেই তার স্বস্তি এবং তার সন্ত্রম, তার প্রকাশ। ভাষাকে অস্বীকার করে কোনো মানুষ বেঁচে থাকতে পারে না। আমাদের বাংলা ভাষার ক্ষেত্রে একটা কথা বলা যায় যে, বহুদিন, বহু আগে থেকেই বাংলা ভাষার উদ্ভব যখন, তখন থেকেই বাংলা ভাষার কবি এবং সাধকরা এ ভাষার উন্নয়নের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন এবং এ ভাষার মাধ্যমে তাদের ধর্মীয়বোধকে, তাদের চিন্তাকে তারা প্রকাশ করার চেষ্টা করেছেন।
এই যে ভাষা, আমরা আমাদের জীবন-কথা অর্থাৎ বাংলাদেশের মানুষের জীবন-কথা যদি আলোচনা করি তাহলে আমরা দেখতে পাই আমাদের বিকাশের প্রথম সময় থেকেই অদ্যবধি আমরা আমাদের মাতৃভাষার প্রতি খুবই গুরুত্ব আরোপ করেছি। এবং এই মাতৃভাষার মধ্যে দিয়েই আমাদের জীবনের প্রকাশ, জীবনের প্রতিষ্ঠা, জীবনের অগ্রসরতা। এই মাতৃভাষাকে অবজ্ঞা করে আমরা কখনো নিজেদের প্রকাশ করতে পারব না, আর নিজেদের কখনো গুরুত্ব দিতে পারব না। আমরা দেখেছি আলাওল মাতৃভাষায় যে কাব্য রচনা করলেন বাংলা কাব্য, সেটা একটা অসাধারণ, অনন্য সাধারণ কাব্য হয়ে দাঁড়াল। সেই পদ্মবতী, পদ্মাবতীর মধ্যে তিনি যদিও সুফীতত্ত্বকে ব্যাখ্যা করবার প্রয়াস পেয়েছেন কিন্তু সেখানেও দেখা যায় এবং সেখানে রাজা, রাণী এবং রাজদরবারের অমাত্যদের কথা আছে। কিন্তু এ কথার মধ্য দিয়েও সাধারণ মানুষ এসে উপস্থিত হয়েছে। এবং সাধারণ মানুষকে কাছে টেনে নেয়ার একটা প্রয়াস আলাওল করেছেন। এভাবে দেখা যায়, বাংলা ভাষা আদি থেকেই মানুষের ভাষা, সাধারণ মানুষের ভাষা। বাংলা ভাষা এমন কোনো ভাষা নয়, যে ভাষায় সাধারণ মানুষের ভাষার উচ্চারণের সঙ্গে অন্য উচ্চারণ মিলবে না। কথাটা হচ্ছে, আর একটু সুস্পষ্টভাবে বলি, অর্থাৎ আমরা দেখতে পাই অতীতে শালীন-সম্রান্ত একটা ভাষার উচ্চারণগত রূপ ছিল। আবার সাধারণ মানুষের উচ্চারণেরও একটা রূপ ছিল। তাই যখন সংস্কৃত ভাষা এ দেশে প্রচলিত হলো, সাহিত্যের ভাষা হিসাবে ভারতবর্ষে, তখন দেখা যায় এ ভাষায় কিন্তু সাধারণ মানুষ কথা বলত না।
এ ভাষা ছিল ব্রাহ্মণদের ভাষা, এ ভাষা ছিল রাজাদের ভাষা, এ ভাষা ছিল মন্ত্রীদের ভাষা, অমাত্যদের ভাষা। কালিদাসের নাটকগুলো পরীক্ষা করলে আমরা দেখতে পাই যে, কালিদাস তাঁর নাটকের মধ্যে কয়েক রকমের ভাষা দেখিয়েছেন। সাধারণ মানুষ মানে বিদুষক, জেলে, রমণী এবং এই ধরনের মানুষ যারা, তারা কিন্তু বলছে প্রাকৃত ভাষায় অর্থাৎ রমণীরা বলছে মাগধি প্রাকৃতিতে, তারা সংস্কৃত ভাষায় কথা বলছে না। সংস্কৃত ভাষায় কথা বলছে কিন্তু রাজা, রাজার প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী এবং রাজার অনুচরবৃন্দ, এরা। তাতে দেখা যায়, সাধারণ মানুষের যে একটা ভাষা ছিল সে ভাষার সম্মান কিন্তু কালিদাসও করেছেন। অতীতের সমস্ত পণ্ডিতরাই এটা করেছেন। এর প্রথম সম্মান দেখালেন অবশ্য সরহপা। সংস্কৃততে লেখা বন্ধ করে তিনি এদেশের মানুষের ভাষায় লেখা আরম্ভ করলেন। যাই হোক, আমি ইতিহাস আলোচনা করছি না। কিন্তু আমি দেখতে পাচ্ছি যে, আমাদের জীবন ধারার সঙ্গে, আমাদের জীবনচর্চার সঙ্গে, আমাদের ভাষার চর্চা ওতপ্রােতভাবে জড়িত। আমি যদি ধর্মের দিক থেকে পরীক্ষা করি, তাহলে দেখতে পাই যে, ধর্মটা যেখানে আবির্ভূত হয়েছে, একটি ধর্ম মধ্যপ্রাচ্যের ধর্ম বলেই ধরি, যে অঞ্চলে আবির্ভূত হয়েছে সেই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের যে কথা, সাধারণ মানুষের যে বুলি, সাধারণ মানুষের যে উচ্চারণ সেই উচ্চারণেই তাদের ধর্মগ্রন্থগুলো তৈরি হয়েছে ইহুদীদের ধর্মগ্রন্থযাকে আমরা তৌরাত বলি। তৌরাত সম্পর্কে একথা বলা যায়, কোরআন শরীফ সম্পর্কেও এ কথা বলা যায়। অর্থাৎ আল্লাহতায়ালা মানুষের কথায় মানুষের কণ্ঠস্বরে, মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাতে মাতৃভাষা যে কত গুরুত্বপূর্ণ এইগুলোর দ্বারাই বুঝা যায়। আল্লাহ তায়ালা এমন এক আশ্চর্য ভাষায় কথা বলেননি, যে ভাষা সাধারণ মানুষের ভাষা নয়।
কিছু কিছু জায়গায় যেমন প্রাচীনকালে ভারতবর্ষে যখন বেদ রচিত হয়, তখন ব্রাহ্মণরা এমন এক ভাষায় তাদের বেদ রচনা করেছিলেন, যে ভাষাটা কিন্তু সেই সময়ের সাধারণ মানুষের ভাষা ছিল না। একটা অস্বাভাবিক ভাষা আরোপ করা হয়েছিল সেই সময় যারা নির্মাণ করেছিলেন তারা পবিত্রতার সন্ধান করেছিলেন। এমন একটা ভাষা তাদের জন্য দরকার ছিল, যে ভাষা সাধারণ অবস্থা থেকে উধ্বতর। যে ভাষা অনেক উচ্চমানের ভাষা কিন্তু আমরা তৌরাত এবং কোরআন শরীফ দেখে বুঝতে পারি আল্লাহতায়ালার ভাষাও উচ্চমানের ভাষা কিন্তু সাধারণ মানুষের ভাষাটাকে তিনি গ্রহণ করে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলেছেন। এই যে প্রবণতা, এই প্রবণতা দ্বারা একটি সত্য প্রমাণিত হয় তা হচ্ছে এই যে, ভাষার সঙ্গে মানুষের জীবন চূড়ান্তভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ।
আমি একটি ইতিহাসের কথা বলব, ইউরোপের, সেটা হচ্ছে বুলগেরিয়ার । বুলগেরিয়া বহুদিন পর্যন্ত ওসমানী তুর্কীর অধিকারে ছিল। তুর্কীরা বুলগেরিয়াকে শাসন ফরত বুলগেরিয়ায় স্বায়ত্তশাসন বলতে কিছু ছিল না। পুরোপুরিভাবে তুরস্ক থেকে এদের শাসন করা হতো, তুরস্কের বিভিন্ন অঞ্চলের লোক গর্ভুর নিযুক্ত করত। এবং সেখানে তারা যে ভাষণ আরম্ভ করেছেন, যে ভাষা প্রয়োগ করেছেন সে ভাষা হচ্ছে। তুর্কী ভাষা, আরবি হরফে লেখা। পুরনো দলিল-পত্রের মধ্যে এর নিদর্শনগুলো পাওয়া যায়। কিন্তু যখন স্থানীয় অধিবাসীরা, তারা ওসমানী শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সংগ্রাম আরম্ভ করল, তখন তাদের ভাষার প্রয়োজন হলো। তখন তারা তো তুর্কীদের ভাষায় কথা বললে, তুর্কীরা জানতে পারবে। সুতরাং তাদের গির্জার মধ্যে দু’জন গির্জা-ভ্রাতাপাদ্রী-ভ্রাতা নেথোডিয়াস এবং কিরিল– এরা দু’জন গোপনে একটা লিপি তৈরি করলেন। সেই লিপিটার, গ্রীস লিপির সাথে কিছুটা মিল আছে। রুশ লিপির সাথেও বর্তমানে কিছুটা মিল খুঁজে পাওয়া যায়। তারা অনেকগুলো হরফ এবং ধ্বনির শব্দরূপ আবিষ্কার করেছিলেন। এগুলো করে তারা নিজেদের শ্রাবণিক ভাষায়, বুলগেরীয় ভাষায়, চিঠিপত্র লিখে এক গির্জা থেকে অন্য গির্জায় পাঠালেন। এবং তুর্কী শাসকরা এগুলোতে বাধাও দেয়নি। কারণ তারা পড়তেও পারেনি, তাই এগুলোয় বাধাও দেয়নি। এভাবে করে আস্তে আস্তে সমগ্র দেশে তুর্কীদের বিরুদ্ধে, ওসমানী রাজ্য শাসনের বিরুদ্ধে একটা বিক্ষোভ তৈরি হলো। এ বিক্ষোভটি চরমে পৌঁছে তুর্কী শাসকদের অজ্ঞাতসারে এবং শেষ পর্যন্ত ওসমানীয় তুর্কীরা পরাজিত হয়। অবশ্য পরাজিত হওয়ার আরও কতকগুলো কারণ ছিল। কারণ রুশরা বুলগেরীয়দের সাহায্য করেছিল। খ্রিস্টান সম্প্রদায়, সকলে মুসলমানদের বিরুদ্ধে দন্ডায়মান হয়েছিল ইত্যাদি অনেক কিছু আছে। তবে মানুষকে সংঘবদ্ধ করবার এই যে একটা প্রবণতা বুলগেরীয়দের, সেই প্রবণতার পেছনে ভাষায় একটা অঙ্গীকার আছে। আমরা মনে করি ভাষা এবং নিজস্ব ভাষার একটা লিপিরূপ, একটা অঙ্গীকার আছে। এই দিবসটি ওরা প্রত্যেক বছরই পালন করে। এরা স্মরণ করে কিরিল-কে এরা স্মরণ করে নেথোডিয়াসকে। এই লিপির নাম হচ্ছে কিরিলিক লিপি। কারণ কিরিলের নাম থেকেই কিরিলিক লিপি হয়েছে।
বাংলাদেশে আমরা যখন শহীদ দিবস, ভাষা দিবস পালন করি একুশে ফেব্রুয়ারি, তেমনি বুলগেরীয়রাও কিন্তু তাদের একটি ভাষা দিবস পালন করে। এই ভাষা দিবসে ঐ প্রাচীন কাহিনীগুলো তারা স্মরণ করে। আনন্দ-উৎসব করে সমস্ত রাস্তায় রাস্তায়, গ্রামে-গ্রামে, অঞ্চলে-অঞ্চলে। আমাদের যে একুশে ফেব্রুয়ারি উৎসবটা, আনন্দটা, একুশে ফেব্রুয়ারির আন্দোলন, সেই আন্দোলনের পেছনের কারণটা ছিল নিজের ভাষার স্বাতন্ত্র্য রক্ষা এবং ভাষাকে মর্যাদা দেওয়া। কারণ তখনকার দিনে আমরা বুঝতে পেরেছিলাম এটা যে, আমাদের এই ভাষা যদি আমাদের রাজভাষা না থাকে, রাষ্ট্রীয়ভাষা থাকে বাংলা ভাষাকে ব্যাখ্যা করার, তাহলে আমরা অর্থনৈতিক দিক থেকে নিপীড়িত হবো, রাজনৈতিক দিক থেকেও নিষ্পেষিত হবো। সেই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে হলে আমাদের নিজের ভাষাকে আমাদের আঁকড়ে ধরতে হবে। এই ভাষাকে আঁকড়ে ধরেই, এই ভাষার মাধ্যমে আমরা নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে পারব। সেই জন্যই এই আন্দোলনটা। প্রথম থেকেই এই আন্দোলনটা যে সর্বসাধারণের আন্দোলন ছিল তা নয়। কিন্তু ক্রমশ এই আন্দোলন সর্বসাধারণ গ্রহণ করে বসল। একটিমাত্র কথায়, একটিমাত্র বিষয়ের জন্যে, সেই বিষয়টা হচ্ছে- ভাষা জীবনের অঙ্গীকারকে বহন করে। যেহেতু ভাষা জীবনের অঙ্গীকারকে বহন করে সুতরাং মাতৃভাষা, সেই মাতৃভাষা যদি আমার না থাকে, মাতৃভাষার উপর যদি আমার অধিকার না থাকে, তাহলে আমার সর্বনাশ হয়ে যাবে। এখন আমরা যদি সোভিয়েত ইউনিয়ন, আগের সোভিয়েত ইউনিয়নের দিকে দেখি, তাহলে আমরা দেখতে পাই এখানে বহু জাতি আছে, মুসলমান জাতিরা আছে অনেক। যেগুলো পরবর্তীকালে স্বাধীন হয়ে গেল। এদের ভাষা ছিল আলাদা। আর রুশ ভাষা ছিল রুশ দেশে। এই রুশ ভাষা এবং শ্রাবণিক লিপি তারা সকলের উপর আরোপ করে দিল। দলিল দস্তখত রুশ ভাষায় হতে লাগল। এর বিরুদ্ধেও মানুষের বিক্ষোভ ছিল।
আজ যে অঞ্চলগুলো স্বাধীন হয়ে গেল- তার একটি মাত্র কারণ যে, এদের কণ্ঠস্বরকে রুদ্ধ করতে চেষ্টা করেছিল তারা। তাদের উপর একটা ভাষা আরোপ করে, যে ভাষা তাদের নিজের ভাষা ছিল না। সুতরাং আমাদের উপরে যখন অন্য ভাষা আরোপের একটা প্রয়াস করেছিল, তার পেছনে একটা বিরাট ইতিহাস আছে, সেই ইতিহাস আমি এখানে পর্যালোচনা করব না। সেই যে একটা চেষ্টা নিয়েছিল সেই চেষ্টার বিরুদ্ধে আমরা সংঘবদ্ধ হয়েছিলাম। আমি সব সময় একটি কথা বলে থাকি, আমাদের যে ভাষা আন্দোলনটা, এই ভাষা আন্দোলন কিন্তু আমাদের আত্ম-আবিষ্কারের আন্দোলন। আমরা কিন্তু এর আগে, বহু আগে নিজের ভাষার কথা ভেবেছি সত্য কিন্তু এত গভীরভাবে ভাষাকে আমাদের মর্মমূলে অতীতে কখনো নেইনি। এই ভাষা আমরা শিখব কিন্তু আমাদের নিজস্ব ভাষা আমরা এই কারণে গ্রহণ করব যে, এই ভাষার মধ্য দিয়ে আমাদের যথার্থ চিত্তের স্ফুর্তি ঘটবে। অন্য কোনো ভাষার মধ্য দিয়ে সেটা কখনো ঘটবে না।

চলবে...


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৮
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩
ই মেইল: [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন
কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft