ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
492
ছয়দফার জনসভাটি ছিল স্মরণাতীতকালের মধ্যে সবচেয়ে বড় জনসভা
আবুল কাশেম হৃদয়।।
Published : Sunday, 15 March, 2020 at 11:03 PM, Update: 15.03.2020 11:12:35 PM
ছয়দফার জনসভাটি ছিল স্মরণাতীতকালের
মধ্যে সবচেয়ে বড় জনসভাছয় দফার জনসভা হিসেবে সমাদৃত কুমিল্লা টাউন হল মাঠে ১৯৭০ সালের ২৩ জানুয়ারি শুক্রবারের জনসভাটি ছিল স্মরণাতীতকালের মধ্যে সবচেয়ে বড় জনসভা। জনসমুদ্রে পরিণত হয় কুমিল্লা টাউন হল মাঠ ও আশপাশের এলাকা। এই জনসভায় যোগ দিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন ঢাকা থেকে কুমিল্লা আসছিলেন তখন পথে বিভিন্নস্থানে জনতা তাঁকে এক নজর দেখার জন্য এবং তাঁর কথা শোনার জন্য অধির আগ্রহে অপেক্ষা করে। বিভিন্নস্থানে তিনি বক্তব্য দিতে দিতে কুমিল্লায় আসেন। প্রায় বিশটির বেশি সুসজ্জিত তোরণ নির্মাণ করে স্থানীয় জনতা তাঁকে স্বাগত জানায়। মূলত কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রসংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা আওয়ামীলীগের নেতা কাজী জহিরুল কাইয়ুমের অনুরোধে তিনি কুমিল্লায় আসেন। তখন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে ছাত্র ইউনিয়নের ভালো অবস্থা। উনসত্তরের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্র ইউনিয়ন প্যানেল বিজয়ী হয়। ১৯৭০ সালের ২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্র সংসদ নির্বাচনেও ছাত্র ইউনিয়নের সৈয়দ আহমদ বাকের-জালাল আহমেদ প্যানেল ভালো অবস্থানে ছিল। সে সময় ৮ জানুয়ারি জেলা ন্যাপের এক জনসভা কুমিল্লা টাউন হলে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ন্যাপের প্রধান অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ ও বেগম মতিয়া চৌধুরী বক্তৃতা করেন।  
২৩ জানুয়ারি কুমিল্লা এসে কুমিল্লা টাউন হলে স্মরণাতীতকালের বিশাল জনসমুদ্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বক্তৃতা করেন। এরকম বিশাল জনসমুদ্র আর কখনো দেখা যায় নি। জনসমুদ্রে রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, শ্রমিকরা শ্রমিকের কাজ করবে, কৃষকরা কৃষি কাজ করবে আর ছাত্ররা কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে পাখি- রুস্তমকে ভোট দেবে। এ সময় ভিপি প্রার্থী নাজমুল হাসান পাখি ও জিএস প্রার্থী রুস্তম আলী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের দুই পাশে দাঁড়ানো ছিলেন। ২৮ জানুয়ারি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রলীগ মনোনীত নাজমুল হাসান পাখী ভিপি ও রুস্তম আলী জি এস প্যানেল নির্বাচিত হয়।
২৩ জানুয়ারির কুমিল্লা টাউন হলের জনসভাকে দৈনিক ইত্তেফাকে বর্ণনা করা হয় এভাবে- ‘খ্রিষ্টীয় অষ্টম শতাব্দির বৌদ্ধ সভ্যতার পূর্বাঞ্চলীয় কেন্দ্রভূমি, লালমাই-ময়নামতির কোলে সর্বনাশা গোমতির অববাহিকা, স্বাধীনতার আন্দোলনকালীন সংগ্রামী ঐতিহ্যমণ্ডিত সাংস্কৃিতক লীলা নিকেতন, পার্বত্য ত্রিপুরা থেকে বিতাড়িত উদ্ধাস্তÍ ও সর্বহারা জিরাতিয়া প্রজা অধ্যুষিত ঐতিহাসিক কুমিল্লা শহরের আপামার জনসাধারণ আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ মুজিবুর রহমানকে বাঁধভাঙ্গা গোমতির মত স্বতঃউৎসারিত প্রাণবন্যায় অভিভূত করে আগামী নির্বাচনে ৬ দফার সংগ্রামকে জয়যুক্ত করার দৃপ্ত করার দৃপ্ত শপথে উচ্চকিত হয়ে উঠে।  
বাঁধভাঙ্গা গোমতির অথৈ পানির মত অনন্ত লোকরণ্য দ্বিপ্রহর হতেই কুমিল্লার টাউন হল ময়দানে মাতামাতি শুরু করে। ছয় দফা প্রণেতা আওয়ামীলীগ প্রধান শেখ মুজিবের কুমিল্লা সফরকে কেন্দ্র করে গোটা শহর, শহরতলী এলাকা, দাউদকান্দি হতে কুমিল্লা পর্যন্ত দীর্ঘ বিশ মাইল রাস্তার দুই পার্শ্বে লাকসাম পর্যন্ত প্রতিটি লোকালয়, চৌদ্দগ্রাম এলাকার গ্রাম-গ্রামান্তর উৎসব মুখর ও প্রাণস্পন্দনে মুখরিত।’
বিশাল এই জনসভায় আওয়ামীলীগ প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান অবাধে মতামত প্রকাশের সুযোগ দানের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দলের জনসভায় শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক পরিবেশ রক্ষা ও সহনশীলতা প্রদর্শনের জন্য জনসাধারণের প্রতি আহবান জানান।  সেই সাথে তিনি কোন কোন দলকে লাঠি ও মারাত্মক অস্ত্রের আয়োজনের মাধ্যমে জনসভা করে উস্কানীমূলক বক্তৃতা দান হতে বিরত থাকারও আহবান জানান।৫৮
দেশের কৃষক সমাজের সমস্যার কথা উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বলেন-
‘পতিত খাস জমিসমূহ দেশের ভূমিহীন কৃষকদের মধ্যে বণ্টন করা হোক। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য ইসলামের নামে অন্যকে কাফের বলে আখ্যায়িত করা উচিত নয়। এতে ইসলামের আদর্শের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়। গণতান্ত্রিক নীতি অনুযায়ী সকলেরই মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছ, তাই কারো কোন সভা শ্রবণ করতে ইচ্ছা না হলে বাধার সৃষ্টি করবেন না। যে কোন সভার বক্তব্য শ্রবণ করবেন। আর যদি শুনতে না চান সেখানে যাবেন না। আইয়ুব মোনায়েম সরকার এই দেশের জনগণকে গাধা বলে আখ্যায়িত করেছিল। কিন্তু সেই জনগণের কাছে তাদের মাথা নত করতে হয়েছে। অত্যাচার ও অবিচারের জন্য জনগণ তাদের কোনদিন ক্ষমা করবে না। পাকিস্তানের শতকরা ৫৬ জন নাগরিক হয়েও আমরা গত ২২ বছর যাবত শোষিত হয়েছি। যা কিছু ছিল উজাড় করে দিয়েছি। এখন আমাদের অধিকার আমরা আদায় করে নিতে চাই। সেই জন্যই স্বায়ত্তশাসনের দাবি করা হয়েছে। নির্বাচনের পূর্ব মুহূর্তে কোন দল স্বায়ত্তশাসন আগে চেয়েছে।
তিনি জিজ্ঞাসা করেন, কাদের কাছে তারা স্বায়ত্ত শাসন চেয়েছিলেন। কারো দয়ার উপর আমরা স্বায়ত্তশাসনের জন্য নির্ভর করি না। স্বয়ত্তশাসন আমরা আদায় করে নিব। যারা নির্বাচনের মাধ্যমে জয়ী হতে পারবে না, তারাই নির্বাচন চায় না। জনগণ ভোটের মাধ্যমে স্বায়ত্তশাসন আদায় করে নেবেই। স্বায়ত্বশাসন ব্যতিত বাঙালি বাঁচতে পারে না। স্বায়ত্তশাসন ভিন্ন আমাদের কোন গতি নেই। পূর্ব পাকিস্তানের বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য টাকার অভাব দেখা দেয় অথচ করাচী থেকে পিন্ডি এবং পিন্ডি থেকে ইসলামাবাদ কেন্দ্রীয় রাজধানী স্থানান্তরের টাকার অভাব হয়না। কাশ্মীর বিরোধ অমীমাংসিত রেখেও যখন ভারতের সাথে আপোস করে সিন্ধু অববাহিকা ও মঙ্গলাবাঁধ নির্মাণ করা যায় তখন এদেশের বন্যা নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে কেন ভারতের সাথে আপোষ আলোচনায় বসা যায় না।’
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বলেন,
‘তিনি ইসলাম চান না বলে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা হচ্ছে। যে মুসলমান ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মোহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ’ একবার বলেছেন তাঁকে যদি কেউ কাফের বলে সে নিজেই কাফের হয়ে যায়। যা সত্য তা ইসলাম যা মিথ্যা তা মানুষকে শোষণ করে ও জুলুম করে তা অনৈসলামিক। আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় গেলে কোরআন সুন্না বিরোধী কোন আইন পাশ করবে না এবং মানবকল্যাণমূলক আইন পাশ করবে।’
কুমিল্লা টাউন হলের জনসভায় আওয়ামীলীগ কর্মীদের উদ্দেশ্য করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আরো বলেন-  
‘প্রত্যেকেরই নিজ নিজ বক্তব্য পেশের অধিকার আছে। সকলকে তাদের কথা বলার সুযোগ দিতে হবে। কারো বক্তব্য ভাল না লাগে তিনি যেন সভা ছেড়ে চলে আসেন। কিন্তু তাদের বক্তব্য পেশে কেউ বাধা সৃষ্টি যেন না করেন। আর যদি যোগদান করেন, তবে তাঁদের ধৈর্য ধরে সভার বক্তব্য শ্রবণ করতে হবে বা শান্তিপূর্ণভাবে চলে আসতে হবে। গণতন্ত্রে মূল শর্ত সহনশীলতা এ সত্যটি ভুলে গেলে চলবে না।’
জনসভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামীলীগ নেতা খোন্দকার মোশতাক আহমদ। কুমিল্লার জনসাধারণের পক্ষ হতে শেখ মুজিবকে একটি মানপত্র প্রদান করেন শহর আওয়ামীলীগ সভাপতি অধ্যাপক আবদুর রউফ।
এ জনসভার দুই মাস পর ১৯৭০ এর ৪ এপ্রিল শনিবার ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জনসভায় যোগ দেয়ার উদ্দেশ্যে আওয়ামীলীগ প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ কুমিল্লার দাউদকান্দি পৌঁছলে কুমিল্লা জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও প্রাদেশিক আওয়ামীলীগ সভাপতি খোন্দকার মোশতাক আহমদ, কুমিল্লা জেলা আওয়ামীলীগ সহ সভাপতি আহমেদ আলী এডভোকেট, জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আবদুল আউয়াল, কুমিল্লা শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যাপক আবদুর রউফ ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর প্রধান আবুল কালাম মজুমদারসহ অনেকেই তাঁদেরকে স্বাগত সম্ভাষণ জানান।
কুমিল্লার গৌরীপুর, চান্দিনা, কালাকচুয়া, ময়নামতি, কংশনগর, জাফরগঞ্জ, দেবিদ্বার, কোম্পানিগঞ্জ, ইষ্টগ্রাম, মাধবপুর, কুটি, সৈয়দাবাদ, সুলতানপুর, রামরাইল প্রতিটি স্থানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে জনগণের উদ্দেশ্যে বক্তৃতা করতে হয়। রাস্তায় রাস্তায় সুদৃশ্য তোরণ নির্মাণ করা হয়। প্রায় প্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব জনগণের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন এবং তিনি ঘরে ঘরে আওয়ামীলীগের ৬ দফা দুর্গ গড়ে তোলার আহবান জানান।
বিকাল ৪টার দিকে পার্ক সার্কেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি সিরাজুল ইসলাম এডভোকেটের সভাপতিত্বে এক বিরাট জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। ঐ সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও খোন্দকার  মোশতাক আহমেদ ভাষণ দেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমা ছাত্রলীগ একটি মানপত্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে প্রদান করে। শহরেও বেশ কয়েকটি তোরণ মহকুমা ছাত্রলীগ ও আওয়ামীলীগ কর্তৃক নির্মাণ করা হয়।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেষ্ট হাউজে রাত্রিযাপন করে পরদিন ৫ এপ্রিল ঢাকার উদ্দেশ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ত্যাগ করেন।
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল আগা ইয়াহিয়া খান বন্যার কারণে জাতীয় পরিষদের নির্বাচন ৭ ডিসেম্বর ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন ১৭ ডিসেম্বর পুন:নির্ধারণ করেন। সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়। প্রার্থীদের নাম ঘোষণার পর কুমিল্লার প্রার্থীরা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় চলে যান এবং ছয় দফার পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালান। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৮ অক্টোবর ১৯৭০ এ বেতার টিভিতে প্রথম ভাষণ দেন। এই ভাষণে পূর্ব বাংলাকে ২৩ বছর ধরে পাকিস্তানের শোষণের চিত্র তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সমগ্র বাঙালি জাতীয়তাবাদের আদর্শে এক সারিতে শামিল হয়ে যায়। ১৯৭০ এর নভেম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশব্যাপি ব্যাপক নির্বাচনী প্রচার চালান। ৮ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কুমিল্লার মুরাদনগর, দেবিদ্বারে ব্যাপক নির্বাচনী গণ সংযোগ করেন। এতে জনতার ঢল নামে।






সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৮
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ই মেইল: [email protected], [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন
কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};