ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
555
পাঠ প্রতিক্রিয়া
প্রেম ও রাজনীতিতে অযোগ্য ব্যক্তির ক্ষমতার ঊর্ধ্বারোহণ
আমাদের খালেক ভাই (রম্য উপন্যাস): হাসনাইন খুরশেদ
কাজী মোহাম্মদ আলমগীর
Published : Saturday, 7 November, 2020 at 10:54 PM, Update: 07.11.2020 11:19:07 PM
প্রেম ও রাজনীতিতে অযোগ্য
ব্যক্তির ক্ষমতার ঊর্ধ্বারোহণকাজী মোহাম্মদ আলমগীর।। ‘আমাদের খালেক ভাই’- উপন্যাসের প্রধান চরিত্র খালেক ভাই। খালেক ভাই কলেজ নির্বাচনের আগে তিনটি স্পষ্ট প্রেমে পতিত হয়েছেন। দ্বী-পাক্ষিক পতন নয়, একÑপাক্ষিক পতন। তিন মেয়ে, সাজিয়া, লাবণি ও শ্রাবণী। সাজিয়ার অবস্থান মর্ত্যলোকে। অপর দুজন হাওয়ায়। হাওয়ার মাঝে প্রেম কী করে সম্ভব? খালেক ভাইয়ের দোষ যা গুনও তা। খালেক ভাই সহজে বিশ্বাস করে। সুতরাং প্রেম সম্ভব। উপন্যাসের কথক শুচি বা ‘আমি’ চরিত্র পাঠককে এ কথাই জানান দিয়েছে।
প্রেম করার বা প্রেমে পড়ার কোন যোগ্যতাই খালেক ভাইয়ের নেই। উপন্যাসিক হাসনাইন খুরশেদ পাঠকের কাছে উপন্যাসের প্রথম দিকে তাঁর গদ্য শক্তির অন্ধিসন্ধির বিভিন্ন বাঁকে-মোড়ে খালেক ভাইয়ের এক সহজ রুপ তুলে ধরেন। প্রথম প্রেমে খালেক ভাই সাজিয়াকে পত্র দিবে। পাঠকের মনে রাখতে হবে। এ উপন্যাসের পটভূমি ১৯৮২ থেকে ১৯৮৩ খ্রিষ্টাব্দের। এক উর্দিপরা শাসকের বিদায় আরেক উর্দিপরা শাসকের উত্তরকাল। তখন মোবাইল ফোন আসেনি। বৈচিত্রপূর্ণ প্রেম। সাজিয়াকে শীষ দিয়ে জানান দিতে হবে খালেক ভাই এসেছি। এবার তুমি চিঠি নিতে আসো। কিন্তু খালেক ভাই শীষ দিতে জানে না। মহড়া টহরা দিয়ে খালেক ভাই উদ্দেশ্য পাতনে হাজির। খালেক ভাই তারপরও শীষ বাজাতে ব্যর্থ। তার ঠোঁট থেকে শীষ বের হয় না। আমরা লেখকের ভাষায় শুনি, ‘কোন আওয়াজ বের হচ্ছে না। শেষ পর্যন্ত খালেক ভাইয়ের কণ্ঠ চিরে আর্তনাদের মতো কেমন একটা শব্দ বের হলো। আশ্চার্য্য তাতেই কাজ হলো।’ কেন কাজ হলো আমরা একটু পড়ে বুঝবো। আরও কাজ বাকি আছে। বাকি কাজটা করলো সাজিয়ার মা। কিছুক্ষণের মধ্যে পর্দটা নড়ে ওঠলো। খালেক ভাইয়ের লোমশ কালো হাত চেপে ধরলো লোহার গ্রিলের সাথে। সাজিয়ার মায়ের  মুখ থেকে গালি বের হলো- ‘হারামজাদা’।
এই ‘হারামজাদা’  শব্দটি উপন্যাসের কোথাও আর  ‘ হালালজাদায়’ পরিণত হয়নি। একজন সহজ মানুষ, তার সহজ নামের আলখেল্লার ভেতরে বদলে যাবার পাঠ নিচ্ছে। আমরা খোঁজ নিয়ে দেখলাম পূর্ণাঙ্গ রম্য উপন্যাসের তালিকায় আর কারো নাম আছে কি না। তার ওপরে রাজনৈতিক রম্য উপন্যাস হতে হবে। জনাব কাজী সিরাজের ‘সুর বেসুর’ এবং জনাব আবদুল মালেকের ‘উল্টো থেকে’, দুটি উপন্যাসের নাম পাওয়া যায়। তবে কোনটি পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক রম্য উপন্যাস নয়। কাজী সিরাজ সরাসরি রাজনীতিকদের নাম নিয়েছেন যা হাসনাইন খুরশেদ করেননি। নির্দিষ্ট রাজনৈতিক পাঠকের জন্য ‘ সুর বেসুর’। তবে কাজী সিরাজের ভাষিকমান বেশ উন্নত। লেখক হাসনাইন খুরশেদ মান ভাষার সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আঞ্চলিক ভাষাও ব্যবহার করেছেন অবলীলায়।
 শ্রোতব্য যে, শওকত ওসমান তাঁর ‘ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দ্বি’ গল্পে ৯০ এর স্বৈরাচারি শাসকের আদলটিকে এমন এক বিল্ডিংয়ের ছাদে তোলে দিয়েছিলেন যে বিল্ডিং থেকে নেমে আসার কোন সিঁড়ি ছিল না।  খালেক ভাইয়ের গন্তব্য সেই দিকেই। ‘হারামজাদা’ ধীরে ধীরে শক্তিশালী হতে থাকে। যার শেষ গন্তব্য মেড্ডার মালেক ভবন। খালেক ভাইয়ের পদতলে পিষ্ট হয় পুলিশ অফিসার কামরান এবং কেরানি কাশেম। দানবীর ভবন ছাড়তে হয় সোহেল মিয়াকে। ১৯৮২ থেকে ১৯৮৩  সালের রাজনৈতিক ঘটনাবলীর চিত্র রম্য নামের আবরণে তোলে এনেছেন লেখক হাসনাইন খুরশেদ। লেখক বলেন , ‘আমাদের খালেক ভাই। দৃশ্যত: সহজ সরল একজন মানুষ বেশ হাবাগোবা ।’ প্রকৃতপক্ষে খালেক ভাই কলেজ নির্বাচনের  ফলাফল শোনে জ্ঞানশূণ্য বা বেহুশ হওয়া পর্যন্ত একজন সত্যি হাবাগোবা মানুষ। এই হাবাগোবা খালেক ভাই তার বাবাকে মন্ত্রীত্ব পর্যন্ত পাইয়ে দেন। এমন হাবাগোবার পক্ষে এটা কী করে সম্ভব? ‘দৃশ্যত:’ শব্দটির ফাঁক গলিয়ে খালেক ভাইকে বের করে আনেন লেখক। তার মানে তিনি আদত সহজ সরল নয়। ওই সময় (১৯৮২খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৯৮৩ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত) এই রাষ্ট্রে দুর্বৃত্তায়ন হয়েছে। তার একটি খণ্ডচিত্র ব্রাহ্মণবাড়িয়ার খালেক ভাইয়ের উত্থান।
লক্ষনীয় বিষয় লেখক প্রচণ্ড ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এ উপন্যাসে খালেক ভাইকে নিয়ে। শুচি বা আমি চরিত্রের মুখ দিয়ে তিনি অনেক উইট এণ্ড হিউমার ব্যবহার করেন। কখনো তা প্রকাশ পেয়েছে আঞ্চলিক ভাষার কৌশলী ব্যবহারের ভেতর কখনো উদ্দেশ্য অনুগামী মান ভাষার প্রচ্ছন্ন বাক্যের শরীরে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ভাষায় খালাতো বোনকে বলা হয় ‘হালাত’ বোন। পাঠক শুনতে পায় ‘হাওলাত’ করা বোন। আবার  সেই বোনের বাড়ি পাবনা। যা কোনদিন পাওয়া যাবে না। সত্যি তাই। শেষ পর্যন্ত ফোনে যোগাযোগ হতে হতে দৃশ্যপট পাল্টে যেতে থাকে। খালেক ভাই বলে, ‘কইলি পাবনা... শ্রাবনীর বাসা... অহন দেহি পাগলের হাসপাতাল।’
খালেক ভাইকে উপন্যাসের পরতে পরতে নানা প্রকারে অপমানিত হতে হয়। লেখক যেন নিজে দায়িত্ব নিয়েছেন। ৮২/৮৩ খ্রিস্টাব্দে তাদেরকে দমন করা যায়নি। আজ আটত্রিশ/ ঊণচল্লিশ বছর পরও তারা ক্ষমার অযোগ্য। লেখক ইচ্ছাপূরণের জন্য উপন্যাসে ঢুকে পড়লে তার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার সুযোগ থেকে যায়। কিন্তু রম্য বলিয়া’ পাশ কেটে বের হওয়ার সুযোগও হয়তো লেখক গ্রহণ করেন। এ কারণে আমি আর শুচি চরিত্রে কোন পার্থক্য থাকে না। অন্নদা স্কুলের ক্লাস টেনে পড়া আমি বা শুচি খালেক ভাইয়ের কাঁধে হাত রেখে কথা বলে। কিন্তু খালেক ভাই এক বছরের মাাথায়, কবিতাকে কুবিতা বলে ঠাট্টা করে। ভোটকে ‘ভুট’ বলে ঠাট্টা করে। জানতে চায় ‘ভুট’ দিয়া কি পান খাবে। একতরফা (এপ্রেস) প্রেমের সংগঠন করে। কলেজ প্রতিষ্ঠাতার ভাস্কর্য্য অপসারণ করতে উদ্ধত হয়। শফি শেষ পর্যন্ত বলেই ফেলে, ‘ খালেক ভাই মানুষ ভাল না।’ খালক ভাইয়ের দাপটে মৃত মানুষের বাসস্থানও রক্ষা করা যায় না।
খালেক ভাই বদলে বদলে এগোয়। আর শুচি হারতে হারতে এগোয়। শুচি রোখে দাঁড়াতে পারে না। দাঁড়ালেও ভেঙ্গে পড়ে। দীলিপ অসীম মীণাক্ষী নীলাক্ষী চারজনকে দানবীর ভবনের জলটুঙ্গিতে দেখতে পেয়ে শুচি নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারায়। এর রেশ ধরে শুচি ঘৃণায় ভি পি খালেকের গালে থু থু ছুঁড়ে মারে (অতি সাহসী মনে হয়)। কিন্তু খালেক বলে, ‘ আমি ভাই পাইতাছি। শুচি , অই আমার আপন ভাই।’ কিছুক্ষণ পর শুচি তার বন্ধুদের কথা শুনার পর কী বলে? আমরা তার জবানে শুনি, ‘ খুব মন খারাপ হয়ে গেল আমার। বিষন্নতা আমাকে গ্রাস করলো। ব্যাগটা কাঁধে নিয়ে ওঠে দাঁড়ালাম।কাউকে কিছু বললাম না। কাউকে কিছু বলার সুযোগ দিলাম না। আমি বাড়ির পথে হাঁটতে লাগলাম। কালো রাজপথ ধরে হাঁটতে লাগলাম। নিঃসঙ্গ...একাকি...।’
এরপর উপন্যাসের আন্তকার্যকারণ, ঘটনার পারম্পার্য অক্ষুন্ন থাকে না। সিনেমাটিক হয়ে যায়। কিভাবে শুচির সঙ্গে আবার খালেকের নতুন দিন শুরু হবে? কিন্তু হয়। আকৃতিতে হাঁতির মত বদলে যাওয়া চতুর খালেক নিজের প্রয়োজনে সম্পর্ক মেরামত করে। আর শুচি তা মেনে নেয় ব্যক্তিগত প্রতিবাদের দূর্বলতা থেকে। ব্যক্তির দূর্বলতা এমনি হওয়া স্বাভাবিক। সমষ্টির প্রতিবাদ এখানে অনুপস্থিত। বইয়ের প্রচ্ছদটি এখানে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছে। এক বালক তার বিস্ময়কর দৃষ্টিতে, এলিয়েন দৃষ্টিতে তার অতীত দেখছে। দৃষ্টি তার দুদিকে। অন্য রুক্ষ চোখটি বর্তমানের। এক মিশ্র অনুভূতীর দৃশ্যায়ন। পেছনের ঘড়ির কাঁটাতে বিগত সময়। তাই শুচি প্রতিবারই খালেক ভাইয়ের সঙ্গে পেরে ওঠে না। কিন্তু হাল ছাড়ে না। তার বন্ধুরা সুবিধা গ্রহণে পাল্টে যায়। উপন্যাসের কেউ শুচির মত বারবার দাঁড়ায় না। সম্ভবতো এটাই স্বাভাবিক। সকলে গা ভাসায়। গা বাঁচায়। কারণ শুচি, প্রবাল ও পার্কিরা  কিশোর। অথচ বয়সে একটু এগিয়ে থাকা স্বচ্ছল ঘরের ছেলে খালেক ভাইয়ের একক উত্থানে চারদিক পঁচতে থাকে। পঁচতে থাকে কলেজের কোন কোন শিক্ষক। খালেক ভাইয়ের গাড়ি দেখে কলেজের দুই নারী শিক্ষক লোভাতুর বাক্য বিনিময় করে। ‘ মিটিং করতে ত ডাকছে না, ডাকছে নতুন জীপ দেহাইতে।’ তারা বলাবলি করে, ‘জীপডা কিন্তু জব্বর সুন্দর। অনেক দাম।’ শরিফা ম্যাডাম বলে, ‘ কুটি ট্যাহার কম অইত না। একবার যদি চরতাম পারতাম।’ ঠোঁট কাটা ছন্দা আপা হাসতে হাসতে বললেন, ‘ভি পি রে বিয়া কইরা ফালান। তহন ইচ্ছা মত চইরেন। সারাক্ষণ ত আপনের দিকে তাকাইয়া আছিল।’ জবাবে  শরিফা বলে, ‘পারলে ত করতাম অই ...। বিয়া করতাম আর গাড়ির ছাদের চিপা দিয়া মাথা বাইর কইরা ঘুরতাম। টাউনের সবাই আমারে দেখত। হি.. হি.. হি..।’
হাসি তামাশায় মেয়েরা কেন এগিয়ে থাকে এর একটু খোঁজ  নেয়া যাক। কার থেকে এ ঋণ নেব আমরা। ছোট কারো  থেকে না নিয়ে বড় কারো থেকে নেয়া উচিত। তাহলে রবীঠাকুর কী বলেছেন শুনি। তিনি তাঁর ‘ কৌতুকহাস্য’ প্রবন্ধে বলেন, ‘পুরুষ জাতিকে পক্ষপাতি বিধাতা বিনা কৌতুকে হাসিবার ক্ষমতা দেন নাই, কিন্তু মেয়েরা হাসে কী জন্য তাহা দেবা ন জানন্তি কুতো মনুষ্যাঃ।’
কলেজের শিক্ষকদের সঙ্গে গলা মিলিয়ে যদি আরও কেউ হাসতে চায়, হাসুক। কিন্তু এ উপন্যাস পাঠান্তে কেউ হা হাÑ হি হি করে হাসতে পারবে না নিশ্চিত। মগজের  ফ্রন্টাল কর্টেক্সের  জ্ঞান বুদ্ধির সঙ্গে হাসি মিশে গেলে সে হাসি সম্ভবতো মগজে থেকে যায়, থাকুক। এবার ছোট্ট  ডিসক্লেইমারটি শুনি। সেখানে লেখা আছে, ‘ এই উপন্যাসের সকল ঘটনা কাল্পনিক। বাস্তবতার সঙ্গে মিলে গেলে সেটা নিতান্তই কাকতালীয়।’ কেউ যদি বলেন, এসব বলার কি দরকার ছিল? এমনিতে রম্য উপন্যাস তারপরে ডিসক্লেইমার। পেছনে আবার ১৯৮২ থেকে ১৯৮৩ সালের প্রেক্ষাপট লেখা। তাহলে যদি ওই পাঠক বলেন,এই উপন্যাসের বয়ান মিথ্যা না কি সত্য?  
উপন্যাসের সত্য মিথ্যার কী প্রয়োজন? নিজের মনকে জিজ্ঞেস করো। তবেই বুজবে মন কী বলে।এ কথাতো সুবিধিত ,‘ তব মনোভূমি রামের জন্মস্থান অযোধ্যার চেয়ে সত্য জেনো।’ তবু আমরা আরেকবার ঋণ নেবো। এবারের ঋণ চিত্রশিল্পী পিকাসো থেকে। পিকাসো বলেছেন, গল্পের মিথ্যা হলো এমন এক মিথ্যা যা সত্য চিন্তে সাহায্য করে। তাহলে আমরা একটু বদলে নিয়ে বলতে পারি, লেখক হাসনাইন খুরশেদ এর ‘আমাদের খালেক ভাই’ এমন একটি মিথ্যা রম্য উপন্যাস যা ১৯৮২ থেকে ১৯৮৩’র সমাজ রাজনৈতিক বাস্তবতার সত্য চিনতে সাহায্য করে। এটি তাঁর প্রথম উপন্যাস। তিনি এ জগতে থাকতে চান । থাকতে হবে তাঁকে আপন যোগ্যতায়। নিশ্চয় তিনি বাংলা সাহিত্যেকে সমৃদ্ধ করবেন আপন প্রতিভায়। প্রথম স্বাক্ষরের জন্য উষ্ণ শুভেচ্ছা জানিয়ে আমরা অপেক্ষায় রইলাম।
বইটির প্রকাশক: গ্রন্থ খামার
প্রচ্ছদ ও অলংকরণ: অশোক কর্মকার।






সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৮
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ই মেইল: [email protected], [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন
কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};