এমএ কাশেম-হোমনা ।।
কুমিল্লার
হোমনায় অটোচালকে জবাই করে হত্যার ১৮দিনের মাথায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের
সর্দার ফারুক মিয়া প্রকাশ "পাণ্ডু ডাকাত"কে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে
দুর্বৃত্তরা।
৪এপ্রিল শক্রবার সকালে হোমনার বাগমারা গ্রামের মাদ্রাসা রাস্তার পাশ থেকে থানা পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে।
নিহত
ফারুক মিয়া ওরফে পাণ্ডু ডাকাত পৌরসভার বাগমারা গ্রামের মৃত আবদুল জলিলের
ছেলে ও হাফ ডজন চুরি-ডাকাতি ও অস্ত্র মামলার আসামী ছিলো।
এর আগে গত
১৬মার্চ রাতে হোমনার বড় ঘারমোড়া গ্রামের উত্তর পাড়ার রফিক মিয়ার অটো
গ্যারেজের দরজার সামনে থেকে বিল্লাল হোসেন নামে এক অটোচালকের জবাই করা লাশ
উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনায় দু'জনকে আটক করে পুলিশে দেয় স্থানীয় জনগণ।
পুলিশ
ও এলাকাবাসী জানায়, হোমনাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাণ্ডু ডাকাতের নামে
চুরি-ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে হাফ ডজন মামলা রয়েছে। বিভিন্ন মামলায়
ওয়ারেন্টভুক্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলো এই ডাকাত সর্দার পান্ডু।
স্থানীয়
কাউন্সিলর মোঃ আবুল হোসেন জানায়, সকালে রাস্তার পাশে ফারুকের (পান্ডু) লাশ
পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার
করে থানায় নিয়ে যায়। সে নারায়নগঞ্জে গত কয়েক বছর ধরে থাকতো। তাকে কখনো
এলাকায় আসতে দেখিনি।
হোমনা থানা অফিসার ইনচার্জ (ও.সি) মো. নাজমুল হুদা
দৈনিক কুমিল্লার কাগজকে বলেন, বৃহস্পতিবার রাতের কোন এক প্রহরে গোপনে সে
এলাকায় আসে এবং পুর্ব বিরোধ কিংবা ডাকাতদলের সাথে মতানৈক্যের কারণে তাকে
পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হতে পারে! তার শরীরের একাধিক জায়গায় আঘাতের
চিহ্ন ও পিঠের উপরে ঘারের দিকে জখম রয়েছে। নিহত পান্ডু মিয়ার লাশ উদ্ধার
করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে রহস্য
উদঘাটন ও খুনিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।