
শাহীন আলম, দেবিদ্বার।
বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় চলতি বোরো মৌসুমের ধান পাকতে শুরু করলেও কৃষকরা এই ধান তুলা নিয়ে নানা সংশয়ে রয়েছেন। কারণ ধান কাটার মতো কোন শ্রমিক নেই। অনেক কষ্টে শ্রমিক জোগার করলেও উচ্চ মূল্যে শ্রমিকের পারিশ্রমিক দিতে গিয়ে অনেক কৃষকই হিমসীম খাচ্ছে। ঠিক ওই মুহুর্তে কৃষকদের পাশে দাঁড়ালেন কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের ১০১ টিম। রোববার সকাল সাড়ে ১১ টায় উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সদস্য ও ১০১ টিমের কর্ণধার মো. লিটন সরকারের নেতৃত্বে হারভেস্টার মেশিনের সাহায্যে চান্দিনা উপজেলার মুরাদপুরে কৃষকের প্রায় ৪০ একর বোরো ফসলের সোনালি ধান জমিতে কাটা, মাড়াইকরাসহ যাবতীয় কাজ করে দেন। মুরাদপুরের কৃষক মো. আবদুল মালেক বলেন, করোনাভাইরাসের আতঙ্কে অনেক কৃষক বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন না। যে শ্রমিকরা আছেন তারাও পরিবহনের অভাবে আরেক জেলায় গিয়ে ধান কাটতে পারছেন না। তিনি আরও বলেন, তার ২ বিঘা জমি জুড়ে বোরো ধান চাষ করলেও সেই ধান তোলার মতো পর্যাপ্ত শ্রমিক পাচ্ছেন না। উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সদস্য ও ১০১ টিমের কর্ণধার মো. লিটন সরকারের নেতৃত্বে হারভেস্টার মেশিনের সাহায্যে তার জমির ধান কাটা, বাছাই ও মাড়াই করা সম্ভব হয়েছে।
উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সদস্য ও ১০১ টিমের কর্ণধার মো.লিটন সরকার বলেন, সারাদেশে লকডাউনের কারণে শ্রমিক সংকটে বোরো ধান ঘরে তুলতে হিমসিম খেতে হচ্ছে কৃষকদের। কৃষকরা যাতে খুব সহজে হারভেস্টার মেশিনের সাহায্যে জমির ধান ঘরে তুলতে পারে সে ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকরা হারভেস্টার মেশিনের প্রতি অনেক আগ্রহ বাড়ছে। খুব কম সময়ে এ মেশিনের মাধ্যমে ধান কাটা, মাড়াই করা যায়। তিনি আরও বলেন, করোনাকালীন এ সংকট মুহুর্তে কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের ১০১ টিম হতদরিদ্রদের মাঝে খাদ্য বিতরণসহ নগদ অর্থ প্রদান করছেন। স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ ও সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবুর নির্দেশনায় কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ যেকোন মুহুর্তে মানুষের পাশে দাঁড়াবে।