
টেস্ট সিরিজের আগে
একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচ। কুলিজ ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোর্ড
প্রেসিডেন্ট একাদশের বিপক্ষে কেমন করলো বাংলাদেশ? তিনদিনের প্রস্তুতির
সুবিধা কি সবটুকু নিতে পেরেছে টাইগাররা?
জাতীয় দলের তারকা পেসার এবাদত
হোসেন মনে করছেন, ব্যাটে-বলে প্রস্তুতিটা বেশ ভালোই হয়েছে দলের। ম্যাচ শেষে
ডানহাতি এই পেসার বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ আমরা তিনদিনের একটা প্র্যাকটিস
ম্যাচ খেললাম। প্রস্তুতি হিসেবে খুব ভালো প্রস্তুতি হয়েছে। আমাদের
ব্যাটাররা খুব ভালো করেছে। তামিম ভাই দেড়শ করেছেন, শান্ত পঞ্চাশ রান করেছে।
আমাদের ব্যাটিং অর্ডারে সবাই ভালো করেছে।’
প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেটে ৩১০
রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসে ১ উইকেটে ৪৭ রান করে বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষ নিজেদের
প্রথম ইনিংসে করে ৮ উইকেটে ৩৫৯ রান।
ম্যাচের প্রথম ইনিংসে শুরু থেকে শেষ
পর্যন্ত লড়েছেন তামিম। ইনিংস ঘোষণার সময় ২৮৭ বলে ২১ চার ও এক ছয়ের মারে
১৬২ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। এছাড়া নাজমুল শান্ত ৫৪ ও নুরুল হাসান সোহানের
ব্যাট থেকে আসে ৩৫ রানের ইনিংস।
বোলিংটাও খারাপ হয়নি। ম্যাচের প্রথম
দুই দিন নামেননি মোস্তাফিজুর রহমান। রোববার শেষ দিন বোলিংয়ে নেমে প্রথম
ওভারেই জোড়া আঘাত হানেন তিনি। সবমিলিয়ে ৬ ওভারে নেন তিনটি উইকেট। অধিনায়ক
সাকিব আল হাসান দলের সঙ্গে যোগ দিলেও নামেননি প্রস্তুতি ম্যাচে। তবে
আলাদাভাবে নেটে ব্যাটিং করে ব্যক্তিগত অনুশীলন সেরেছেন তিনি।
মোস্তাফিজের
তিন উইকেট ছাড়াও এবাদত হোসেন নিয়েছেন তিন উইকেট। অন্য দুই পেসার খালেদ
আহমেদ ও রেজাউর রহমান রাজা ১টি করে উইকেট শিকার করেন। স্পিনার তাইজুল
ইসলাম, মেহেদী হাসান, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেনরা ছিলেন উইকেটশূন্য।
সবমিলিয়ে
নিজেদের বোলিংয়ে খুশি এবাদত। তিনি বলেন, ‘বোলিংয়ে আমরা সবাই ভালো করেছি।
ভালো স্টার্ট হয়েছে। মোস্তাফিজ আজ (রোববার) জয়েন করেছে। প্রথম ওভারে দুই
উইকেট, পাঁচ ওভারে (প্রকৃতপক্ষে ৬ ওভারে) ৩ উইকেট পেয়েছে। এই তিনদিনের
ম্যাচটা আমরা খুব এনজয় করেছি।’